বাফুফের সদস্য বিজন বড়ুয়ার জমির গাছ কেটে নিল সন্ত্রাসীরা

জাতীয় দলের সাবেক ফুটবল ও বর্তমান বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সদস্য বিজন বড়ুয়ার জমির গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।  শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে কক্সবাজারের রামুর কাউয়ারখোপ এলাকার লঠ উখিয়ারঘোনা মৌজার ৩৮৫ নম্বর খতিয়ানের জমি থেকে গাছ কেটে নেওয়া হয়। ভুক্তভোগী বিজন বড়ুয়া বলেন, বর্তমানে আমি দেশের বাইরে অবস্থান করছি। বিগত ২৫ বছর আগের ক্রয়কৃত জায়গা ভোগ দখল করে যাচ্ছি। শনিবার সকাল ৯টায় প্রকাশ্যে আমার জায়গার গাছ কেটে নিয়ে গেছে স্থানীয় সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যু নূর মোহাম্মদের ছেলে শহিদুল্লাহ, হাকিম আলীর ছেলে জয়নাল আবেদিন ও মোহাম্মদ আলীর ছেলে নুরুল হাকিম গং। এ জায়গাটি আদালতের ১৪৪ ধারা জারি থাকার পরও আদালতের রায় অমান্য করেছে তারা। তাছাড়া তাদের দেওয়া মামলায় আমি ডিগ্রি পেয়েছি।  অন্যদিকে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধীয় জমির গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া কতটুকু আইনসঙ্গত জিজ্ঞেস করলে জয়নাল আবেদিন বলেন, ঘটনার সময় আমি স্কুলে ছিলাম। সত্য বলতে আমি শহিদুল্লাহ বকা দিয়েছিলাম।  রামু থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ফরিদ বলেন, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সেখানে গিয়ে পুলিশ দেখতে প

বাফুফের সদস্য বিজন বড়ুয়ার জমির গাছ কেটে নিল সন্ত্রাসীরা

জাতীয় দলের সাবেক ফুটবল ও বর্তমান বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সদস্য বিজন বড়ুয়ার জমির গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। 

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে কক্সবাজারের রামুর কাউয়ারখোপ এলাকার লঠ উখিয়ারঘোনা মৌজার ৩৮৫ নম্বর খতিয়ানের জমি থেকে গাছ কেটে নেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী বিজন বড়ুয়া বলেন, বর্তমানে আমি দেশের বাইরে অবস্থান করছি। বিগত ২৫ বছর আগের ক্রয়কৃত জায়গা ভোগ দখল করে যাচ্ছি। শনিবার সকাল ৯টায় প্রকাশ্যে আমার জায়গার গাছ কেটে নিয়ে গেছে স্থানীয় সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যু নূর মোহাম্মদের ছেলে শহিদুল্লাহ, হাকিম আলীর ছেলে জয়নাল আবেদিন ও মোহাম্মদ আলীর ছেলে নুরুল হাকিম গং। এ জায়গাটি আদালতের ১৪৪ ধারা জারি থাকার পরও আদালতের রায় অমান্য করেছে তারা। তাছাড়া তাদের দেওয়া মামলায় আমি ডিগ্রি পেয়েছি। 

অন্যদিকে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধীয় জমির গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া কতটুকু আইনসঙ্গত জিজ্ঞেস করলে জয়নাল আবেদিন বলেন, ঘটনার সময় আমি স্কুলে ছিলাম। সত্য বলতে আমি শহিদুল্লাহ বকা দিয়েছিলাম। 

রামু থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ফরিদ বলেন, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সেখানে গিয়ে পুলিশ দেখতে পায় কিছু গাছ কাটা হয়েছে। উক্ত জায়গা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মামলা চলমান আছে। আমরা শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে উভয়পক্ষকে আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার জন্য পরামর্শ প্রদান করেছি। 

তিনি আরও বলেন, যদি এখানে কোনো ফৌজদারি অপরাধ সংগঠিত হয় তাহলে আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow