বাল্যবিবাহের আয়োজনে প্রশাসনের হানা, কনের মাকে জরিমানা
চুয়াডাঙ্গা শহরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বাল্যবিবাহ বন্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে কনের মাকে ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। বরপক্ষ পৌঁছানোর আগেই বিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার গুলশানপাড়া এলাকায় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্রের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ অভিযান পরিচালনা করে। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, গুলশানপাড়া এলাকায় ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া এক কিশোরীর বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে প্রশাসনের কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত হয়ে কিশোরীর বয়স যাচাই-বাছাই কর। বাল্যবিয়ের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেওয়া হয়। আরও পড়ুন প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো বাল্যবিবাহ, কনের বাবার জরিমানা পরে বাল্যবিবাহের আয়োজন করায় কনের মাকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে বিয়ের আয়োজন করবেনা মর্মে তার কাছ থেকে লিখিত মুচলেকাও নেওয়া হয়। অভিযান চলাকালে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পুলিশের একটি দল উপস্থ
চুয়াডাঙ্গা শহরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বাল্যবিবাহ বন্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে কনের মাকে ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। বরপক্ষ পৌঁছানোর আগেই বিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার গুলশানপাড়া এলাকায় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্রের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ অভিযান পরিচালনা করে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, গুলশানপাড়া এলাকায় ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া এক কিশোরীর বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে প্রশাসনের কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত হয়ে কিশোরীর বয়স যাচাই-বাছাই কর। বাল্যবিয়ের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেওয়া হয়।
পরে বাল্যবিবাহের আয়োজন করায় কনের মাকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে বিয়ের আয়োজন করবেনা মর্মে তার কাছ থেকে লিখিত মুচলেকাও নেওয়া হয়।
অভিযান চলাকালে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্র বলেন, মেয়েটির বাবা না থাকায় তার মাকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না করার জন্য লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক অপরাধ। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোথাও বাল্যবিবাহের তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
হুসাইন মালিক/এসজেডএইচ
What's Your Reaction?
