বিএএফ শাহীন কলেজের ছাত্র সাজিদ হত্যা মামলার আসামি ইশতিয়াক গ্রেপ্তার
চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার থানার আলোচিত বিএএফ শাহীন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আশফাক কবির সাজিদ হত্যা মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন আসামি ইশতিয়াককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭। শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে চট্টগ্রামের দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার শিলক মিনাগাজির টিলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ইশতিয়াক (২২) নগরীর চকবাজার থানার ডিসি রোড (শিশু কবরস্থান) এলাকার ইদ্রিসের ছেলে। শনিবার (২৭ জুন) র্যাব-৭ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নিহত আশফাক কবির সাজিদ কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার দাতিনাথালীপাড়া গ্রামের আবুল হাসেমের ছেলে এবং চট্টগ্রামের বিএএফ শাহীন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ এপ্রিল বিকেলে সাজিদ ও তার বন্ধু ফারদিন হাসান চকবাজারের বৌ-বাজার এলাকার একটি টং দোকানের সামনে বসে কথা বলছিলেন। এ সময় আইমন, অনিক, রানা ওরফে মাইকেল রানা, ইলিয়াস, এনায়েত উল্লাহ, মিসকাতুল কায়েসসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জন দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সাজিদকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে। প্রাণ বাঁচাতে সাজিদ দৌড়ে ডিসি রোডের মৌসুমি আবাসিক এলাকার এক
চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার থানার আলোচিত বিএএফ শাহীন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আশফাক কবির সাজিদ হত্যা মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন আসামি ইশতিয়াককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭।
শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে চট্টগ্রামের দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার শিলক মিনাগাজির টিলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ইশতিয়াক (২২) নগরীর চকবাজার থানার ডিসি রোড (শিশু কবরস্থান) এলাকার ইদ্রিসের ছেলে।
শনিবার (২৭ জুন) র্যাব-৭ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নিহত আশফাক কবির সাজিদ কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার দাতিনাথালীপাড়া গ্রামের আবুল হাসেমের ছেলে এবং চট্টগ্রামের বিএএফ শাহীন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ এপ্রিল বিকেলে সাজিদ ও তার বন্ধু ফারদিন হাসান চকবাজারের বৌ-বাজার এলাকার একটি টং দোকানের সামনে বসে কথা বলছিলেন। এ সময় আইমন, অনিক, রানা ওরফে মাইকেল রানা, ইলিয়াস, এনায়েত উল্লাহ, মিসকাতুল কায়েসসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জন দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সাজিদকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে।
প্রাণ বাঁচাতে সাজিদ দৌড়ে ডিসি রোডের মৌসুমি আবাসিক এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের অষ্টম তলায় উঠে প্রধান ফটক বন্ধ করে দেন। তবে দুর্বৃত্তরা ভবনের দারোয়ানকে ‘ভিতরে চোর ঢুকেছে’ বলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ফটক খুলিয়ে ভবনে প্রবেশ করে। পরে তারা অষ্টম তলায় উঠে সাজিদকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে এবং একপর্যায়ে নির্মাণাধীন ভবনের লিফটের ফাঁকা অংশ দিয়ে নিচে ফেলে দেয়।
স্থানীয়দের খবর পেয়ে চকবাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় সাজিদকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের পরদিন নিহতের বাবা আবুল হাসেম বাদী হয়ে চকবাজার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই জড়িতদের গ্রেপ্তারে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখে।
র্যাব-৭-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন পলাতক আসামি ইশতিয়াক দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া এলাকায় আত্মগোপনে রয়েছে। পরে শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে র্যাব-৭-এর একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার ইশতিয়াককে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চকবাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?