বিএনপি কার্যালয় দখলের অভিযোগ আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে

কুয়াকাটায় আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বৈধভাবে কেনা জমি ও বিএনপির দলীয় কার্যালয় দখলের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জমিদখল ফিরে পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পৌর বিএনপির সভাপতি আ. আজিজ মুসুল্লী। শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে কুয়াকাটা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের কাছে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া এবং ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান। লিখিত বক্তব্যে আ. আজিজ মুসুল্লী বলেন, জমিটি তিনি ও তার সহযোগীরা বিভিন্ন সময়ে বৈধ দলিলের মাধ্যমে ক্রয় করেন। পরে সেখানে কয়েকটি দোকানঘর নির্মাণের পাশাপাশি বিএনপির একটি দলীয় কার্যালয় স্থাপন করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র আব্দুল বারেক মোল্লার নেতৃত্বে বিএনপির দলীয় কার্যালয় দখল করে সেখানে আওয়ামী লীগের কার্যালয় পরিচালনা করা হয়। একই সঙ্গে তাদের ভোগদখলীয় জমিতে অনুমতি ছাড়াই মাটি ভরাট করে মার্কেট নির্মাণ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন বাবুল ভুঁইয়া অভিযোগ করেন, তিনি ২০০৫

বিএনপি কার্যালয় দখলের অভিযোগ আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে

কুয়াকাটায় আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বৈধভাবে কেনা জমি ও বিএনপির দলীয় কার্যালয় দখলের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জমিদখল ফিরে পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পৌর বিএনপির সভাপতি আ. আজিজ মুসুল্লী।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে কুয়াকাটা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের কাছে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া এবং ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে আ. আজিজ মুসুল্লী বলেন, জমিটি তিনি ও তার সহযোগীরা বিভিন্ন সময়ে বৈধ দলিলের মাধ্যমে ক্রয় করেন। পরে সেখানে কয়েকটি দোকানঘর নির্মাণের পাশাপাশি বিএনপির একটি দলীয় কার্যালয় স্থাপন করা হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র আব্দুল বারেক মোল্লার নেতৃত্বে বিএনপির দলীয় কার্যালয় দখল করে সেখানে আওয়ামী লীগের কার্যালয় পরিচালনা করা হয়। একই সঙ্গে তাদের ভোগদখলীয় জমিতে অনুমতি ছাড়াই মাটি ভরাট করে মার্কেট নির্মাণ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন বাবুল ভুঁইয়া অভিযোগ করেন, তিনি ২০০৫ সালে বৈধ দলিলের মাধ্যমে জমি ক্রয় করে সেখানে মার্কেট নির্মাণ করেছিলেন। কিন্তু ২০০৯ সালে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ওই জমি ও মার্কেট দখল করে তাকে উৎখাত করেন।

বিএনপি নেতারা আরও অভিযোগ করেন, জমি রক্ষার চেষ্টা করলে তারা হামলা, হয়রানি ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার শিকার হন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে তারা নিরাপত্তাহীনতা ও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ৫ আগস্ট ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারা স্থানীয়ভাবে সালিশ-বৈঠকের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা করলেও এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে আ. আজিজ মুসুল্লী বলেন, আমরা কোনো সংঘাত বা প্রতিশোধ চাই না। আমরা আইন, ন্যায়বিচার ও শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাস করি। বৈধ দলিল, রেকর্ড ও প্রকৃত তথ্য যাচাই করে আমাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হোক।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আব্দুল বারেক মোল্লা বলেন, ওই জমি আমার নয়। জমিটির মালিক আমার ভাতিজা বেলাল। তিনি পটুয়াখালী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মিলন মিয়ার স্ত্রী উর্মির কাছ থেকে জমিটি ক্রয় করেছেন। এরপর থেকে বেলাল ওই জমির মালিক হিসেবে সেখানে দোকানপাট নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। সুতরাং, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়।

আসাদুজ্জামান মিরাজ/কেএইচকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow