বিএনপি সমর্থকের বাড়িতে জামায়াতের নারী কর্মীরা, অতঃপর..
সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীরা এক বিএনপি সমর্থকের বাড়িতে গিয়ে নারীদের কাছে ভোট চাওয়ায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি ঘটনা ঘটেছে। এ সংবাদ পেয়ে জামায়াতের নেতাকর্মীরা সেখানে গেলে তাদের বহনকারী প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে প্রশাসন ও পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারী) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার বড়হর ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। উল্লাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুপু কর বলেন, ‘জামায়াতের নারী কর্মীরা তেঁতুলিয়া গ্রামের ভোট প্রার্থনার জন্য গিয়েছিলেন। এক পর্যায়ে তারা এক বিএনপি সমর্থকের বাড়িতে গিয়ে নারীদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন। ওই সময় উভয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও তর্কবিতর্ক হয়। সংবাদ পেয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারযোগে সেখানে যাচ্ছিল। পথে বিএনপি নেতাকর্মীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে একটি মোটরসাইকেল ও একটি প্রাইভেট কার ভাঙচুর করেছে।’ তিনি আরো বলেন, সংবাদ পেয়ে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। উভয় দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে
সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীরা এক বিএনপি সমর্থকের বাড়িতে গিয়ে নারীদের কাছে ভোট চাওয়ায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি ঘটনা ঘটেছে। এ সংবাদ পেয়ে জামায়াতের নেতাকর্মীরা সেখানে গেলে তাদের বহনকারী প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে প্রশাসন ও পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারী) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার বড়হর ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
উল্লাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুপু কর বলেন, ‘জামায়াতের নারী কর্মীরা তেঁতুলিয়া গ্রামের ভোট প্রার্থনার জন্য গিয়েছিলেন। এক পর্যায়ে তারা এক বিএনপি সমর্থকের বাড়িতে গিয়ে নারীদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন। ওই সময় উভয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও তর্কবিতর্ক হয়। সংবাদ পেয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারযোগে সেখানে যাচ্ছিল।
পথে বিএনপি নেতাকর্মীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে একটি মোটরসাইকেল ও একটি প্রাইভেট কার ভাঙচুর করেছে।’
তিনি আরো বলেন, সংবাদ পেয়ে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। উভয় দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে জামায়াত ইসলামী ও বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাদের কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
What's Your Reaction?