বিচার বিভাগ সুপার স্বাধীন হলে রাষ্ট্রের কল্যাণ হবে?
বিচার বিভাগ যদি সুপার স্বাধীন হয় বা সার্বভৌম হয় তাহলে কি রাষ্ট্রের কল্যাণ হবে? এমন প্রশ্ন তুলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, আইনমন্ত্রী তো একজন সর্বোচ্চ মানের আইনজীবী। তিনি যে বলছেন বিচারকরা স্বাধীন, এটার একটু ব্যাখ্যা বলি। সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদটা দেখবেন। বিচার কার্য পরিচালনায়, বিচারকরা স্বাধীন । আর কোনো জায়গায় স্বাধীন বলছে নাকি? রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ১৩৩টি অধ্যাদেশ’ বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। প্রেস ব্রিফিংয়ে মূল বক্তব্য রাখেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা চাই। কিন্তু এখন যে সমস্ত বিষয়ে আপনারা প্রশ্ন করছেন তাতে করে বিচার বিভাগ যদি সুপার স্বাধীন হয় বা সার্বভৌম হয় তাহলে কি রাষ্ট্রের কল্যাণ হবে? দেয়ার মাস্ট বি এ হার্মোনিয়াস কোঅপারেশন ইন বিটুইন অল দ্য অর্গানস অফ দিস স্টেট (রাষ্ট্রের সবগুলো অঙ্গের মধ্যে সৌহার্দপূর্ণ সহযোগিতা থাকতে হবে)
বিচার বিভাগ যদি সুপার স্বাধীন হয় বা সার্বভৌম হয় তাহলে কি রাষ্ট্রের কল্যাণ হবে? এমন প্রশ্ন তুলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, আইনমন্ত্রী তো একজন সর্বোচ্চ মানের আইনজীবী। তিনি যে বলছেন বিচারকরা স্বাধীন, এটার একটু ব্যাখ্যা বলি। সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদটা দেখবেন। বিচার কার্য পরিচালনায়, বিচারকরা স্বাধীন । আর কোনো জায়গায় স্বাধীন বলছে নাকি?
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ১৩৩টি অধ্যাদেশ’ বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। প্রেস ব্রিফিংয়ে মূল বক্তব্য রাখেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা চাই। কিন্তু এখন যে সমস্ত বিষয়ে আপনারা প্রশ্ন করছেন তাতে করে বিচার বিভাগ যদি সুপার স্বাধীন হয় বা সার্বভৌম হয় তাহলে কি রাষ্ট্রের কল্যাণ হবে? দেয়ার মাস্ট বি এ হার্মোনিয়াস কোঅপারেশন ইন বিটুইন অল দ্য অর্গানস অফ দিস স্টেট (রাষ্ট্রের সবগুলো অঙ্গের মধ্যে সৌহার্দপূর্ণ সহযোগিতা থাকতে হবে)। এখানে যেন ওভারল্যাপিং না হয়, কেউ কারো যেন বাউন্ডারি ক্রস না করে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সেটার জন্য আমাদেরকে একটা চেক অ্যান্ড বেলেন্সড এবং ভেরি বেলেন্সড সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ এই দুটা সম্পর্কে খুব ভালো আইন আনতে হবে। সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলাপ আলোচনা করে । এই কথাগুলোই বিলের প্রস্তাবনায় বলা রয়েছে যেখানে আইনমন্ত্রীর রহিতকরণ এবং হেফাজতকরণ বিলটা এনেছেন, সেখানে বলা রয়েছে। এবং বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত যে লাস্টে প্যারা থাকে সেখানে বলা হয়েছে। আমাদের অনেক বিরোধীদলীয় সদস্য প্রস্তাবনা এবং উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত প্যারা বাদে বাকিটা পড়ছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি কয়েকজন বিচারকের কাছে ব্যাখ্যা তলবের বিষয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, যে কয়েকজন বিচারকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট দুইটা মিসকন্ডাক্টের অভিযোগ আছে। সুপ্রিম কোর্টের সার্কুলারের সুনির্দিষ্ট দুইটা মিসকন্ডাক্ট তারা করেছে। আপনার যদি শোকজটা পড়ে দেখেন পেয়ে যাবেন। তার একটা হলো- বিচারকরা কোচিং সেন্টারের বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন তাদের নাম-ব্যবহার করে, যেটা সুপ্রিম কোর্টের সার্কুলারে নিষিদ্ধ আছে। আরেকটা হলো- ফেসবুকে সোশ্যাল মিডিয়ায ব্যবহারের ক্ষেত্রে বলা আছে বিচারকরা কিভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যবহার করতে পারবেন কি পারবেন না। সেখানেও তারা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাদের বাইন্ডিং দেওয়া আছে।
এক্ষেত্রে আইন মন্ত্রালয়কে আইনে ক্ষমতা দেওয়া আছে, এ ধরনের মিসকন্ডাক্ট যখন হচ্ছে আইন মন্ত্রালয় আইনের সীমার মধ্যে থেকে সুপ্রিম কোর্টকে এ বিষয়টা তদন্ত করে জানাবে।বিষয়টি পার্লামেন্টও বলেছি।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, বিচারকরা স্বাধীন। পার্লামেন্টে আমরা বলেছি যে একজন সহকারী জজের বদলি, পদোন্নতি, শৃঙ্খলাবিধানের ক্ষেত্রে আইন মন্ত্রণালয়ের একক কোন ক্ষমতা নেই। সুপ্রিম কোর্ট যদি অনুমতি না দেয় আমরা কিছুই করতে পারি না। বিচারকরা তাদের ফাংশনিংয়ের ক্ষেত্রে যেমন স্বাধীন একইভাবে তাদের চাকরিটাও সুরক্ষিত। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যদি মনে করেন কোনো ডিআইজি, কোনো এসপি ফাংশন করছেন না, উনি তাৎক্ষনিকভাবে অ্যাকশন নিতে পারছেন। আইনমন্ত্রনালয় থেকে এটা কোন ভাবেই করার সুযোগ নেই।
What's Your Reaction?