জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করবেন না, সরকারকে শহিদুল আলম
সরকারকে উদ্দেশ করে আলোকচিত্রী শহিদুল আলম বলেছে, আমরা আপনাদের কাছ থেকে ভিন্ন কিছু প্রত্যাশা করি। আপনারা যে ভিন্নধর্মী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সে বিশ্বাস থেকেই জনগণ আপনাদের ভোট দিয়েছে। তাই জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করবেন না। আপনারা যে কথা বলেছেন, আমরা তা বিশ্বাস করেই আপনাদের সুযোগ দিয়েছি—সেই অবস্থানে থাকার চেষ্টা করুন।
শুক্রবার (০৩ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে (ডিএফপি) চলচ্চিত্র নির্মাতা গোলাপ শাহের ওপর হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শহিদুল আলম এ কথা বলেন।
ক্ষমতাসীনদের সতর্ক করে তিনি আরও বলেন, আপনারা যদি তা করতে ব্যর্থ হন, তাহলে অতীতে যেমন অনেক শক্তিশালী সরকারকে সরানো হয়েছে, তেমনি এই সরকারকেও সরানো সম্ভব।
হামলার বিষয়ে শহিদুল আলম বলেন, এটা কোন ছোটখাটো ঘটনা নয়। শিল্পীদের ওপরে সরকারি অফিসের ভেতরে আক্রমণ হয়েছে। এটার তাৎপর্য আমাদের বুঝতে হবে। এটা যদি হতে পারে, তাহলে দেশটা কোথায় থেকে কীভাবে চালাচ্ছে সেই প্রশ্নগুলো করতে হবে।
তিনি বলেন, এটা হঠাৎ করে হয়নি; সংঘবদ্ধভাবে হয়েছে, পরিকল্পিতভাবে হয়েছে। কিছু মানুষকে ডাকা হয়েছে আক্রমণ করার করার জন্য।
সরকারকে উদ্দেশ করে আলোকচিত্রী শহিদুল আলম বলেছে, আমরা আপনাদের কাছ থেকে ভিন্ন কিছু প্রত্যাশা করি। আপনারা যে ভিন্নধর্মী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সে বিশ্বাস থেকেই জনগণ আপনাদের ভোট দিয়েছে। তাই জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করবেন না। আপনারা যে কথা বলেছেন, আমরা তা বিশ্বাস করেই আপনাদের সুযোগ দিয়েছি—সেই অবস্থানে থাকার চেষ্টা করুন।
শুক্রবার (০৩ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে (ডিএফপি) চলচ্চিত্র নির্মাতা গোলাপ শাহের ওপর হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শহিদুল আলম এ কথা বলেন।
ক্ষমতাসীনদের সতর্ক করে তিনি আরও বলেন, আপনারা যদি তা করতে ব্যর্থ হন, তাহলে অতীতে যেমন অনেক শক্তিশালী সরকারকে সরানো হয়েছে, তেমনি এই সরকারকেও সরানো সম্ভব।
হামলার বিষয়ে শহিদুল আলম বলেন, এটা কোন ছোটখাটো ঘটনা নয়। শিল্পীদের ওপরে সরকারি অফিসের ভেতরে আক্রমণ হয়েছে। এটার তাৎপর্য আমাদের বুঝতে হবে। এটা যদি হতে পারে, তাহলে দেশটা কোথায় থেকে কীভাবে চালাচ্ছে সেই প্রশ্নগুলো করতে হবে।
তিনি বলেন, এটা হঠাৎ করে হয়নি; সংঘবদ্ধভাবে হয়েছে, পরিকল্পিতভাবে হয়েছে। কিছু মানুষকে ডাকা হয়েছে আক্রমণ করার করার জন্য। সরকারি ডিজির অফিসের ভেতরে ঢুকে তারা এ আক্রমণটা করেছে। এটা কত বড় কিছুর ইঙ্গিত করে, সেটা বুঝতে হবে।’
এই আলোকচিত্রী প্রশ্ন তোলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্লোজ সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরার ফুটেজ কীভাবে গায়েব হয়ে যায়? সিসিটিভি ফুটেজ হারিয়ে গেলে তার জন্য আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। কিন্তু আমরা দেখিনি সেই ধরনের কোনো ব্যবস্থা হয়েছে। কতটা ক্ষমতা থাকলে একটি প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজ উধাও করে দেওয়া যায়—এই প্রশ্ন আমাদের করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে নিজের ওপর হামলার ঘটনা তুলে ধরে নির্মাতা গোলাপ শাহ বলেন, তাদের নির্মিত তথ্যচিত্রের বকেয়া বিল আদায়ের জন্য তিনি চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে গিয়েছিলেন। সেখানে বিল পরিশোধ নিয়ে আলোচনা চলাকালে এক কর্মকর্তা তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। পরে বহিরাগত লোকজন ডেকে এনে তাদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।