বিডিআর বিদ্রোহে নিহতদের কবরে জামায়াত আমিরের দোয়া-মোনাজাত
পিলখানা ট্র্যাজেডির শহীদদের জন্য দোয়া মোনাজাত করেছেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১টায় বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদদের প্রতি এ দোয়া জানান তিনি। এসময় তার সঙ্গে জামায়াতের বেশ কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। তারা বিডিআর বিদ্রোহে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এর আগে সকাল ১০টায় পিলখানা ট্র্যাজেডির শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগী ও তিন বাহিনীর প্রধান উপস্থিত ছিলেন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর। ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি দেশের বিভিন্ন স্থানে একযোগে তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) সদস্যদের বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ ও নির্মম হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয় রাজধানী ঢাকার পিলখানায় অবস্থিত বিডিআর সদর দপ্তরে। এ ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন সেদিন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক শাকিল আহমেদ। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই বিদ্রোহকে অন্যতম নৃশংস ও হৃদয়বিদারক ঘটনা হিসেব
পিলখানা ট্র্যাজেডির শহীদদের জন্য দোয়া মোনাজাত করেছেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১টায় বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদদের প্রতি এ দোয়া জানান তিনি। এসময় তার সঙ্গে জামায়াতের বেশ কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। তারা বিডিআর বিদ্রোহে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
এর আগে সকাল ১০টায় পিলখানা ট্র্যাজেডির শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগী ও তিন বাহিনীর প্রধান উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর। ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি দেশের বিভিন্ন স্থানে একযোগে তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) সদস্যদের বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ ও নির্মম হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয় রাজধানী ঢাকার পিলখানায় অবস্থিত বিডিআর সদর দপ্তরে। এ ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন সেদিন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক শাকিল আহমেদ। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই বিদ্রোহকে অন্যতম নৃশংস ও হৃদয়বিদারক ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছর বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভীষিকাময় ও শোকাবহ দিনটি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।
এমএমএ/এমআইএইচএস
What's Your Reaction?