বিপদে কাটিয়ে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি নিউজিল্যান্ডের

৮৪ রানে নেই ৬ উইকেট। লঙ্কান স্পিন আক্রমণের মুখে বড় বিপদেই পড়েছিল নিউজিল্যান্ড। সেখান থেকে অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার আর কোলে ম্যাককোনচির দুর্দান্ত এক জুটিতে শুধু বিপদই কাটেনি, চ্যালেঞ্জিং পুঁজি দাঁড় করিয়েছে কিউইরা। কলম্বোয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের ম্যাচে ৭ উইকেটে ১৬৮ রান তুলেছে নিউজিল্যান্ড। অর্থাৎ জিততে হলে স্বাগতিক লঙ্কানদের করতে হবে ১৬৯। টস হেরে ব্যাট করতে নামা নিউজিল্যান্ডকে উড়ন্ত সূচনা এনে দিয়েছিলেন ফিন অ্যালেন। তবে ১৩ বলে ২৩ করে মাহিশ থিকসানার ফিরতি ক্যাচে তিনি ফেরার পর আরেক ওপেনার টিম শেইফার্টও (৯ বলে ৮) সাজঘরের পথ ধরেন দ্রুত। ১৮ বলে ১৮ করে ফেরেন গ্লেন ফিলিপস। রাচিন রবীন্দ্র চালিয়ে খেলছিলেন। কিন্তু ১২তম ওভারে জোড়া আঘাত হানেন থিকসানা। ২২ বলে ৩২ রানে ফেরেন রাচিন, মার্ক চ্যাপম্যান বোল্ড হন শূন্য রানেই। পরের ওভারে দুনিথ ওয়াল্লালাগে বোল্ড করেন ড্যারিল মিচেলকে (০)। ৯ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে নিউজিল্যান্ড। ৮৪ রানে ৬ উইকেট হারানো দলকে এরপর টেনে তোলার দায়িত্ব নেন মিচেল স্যান্টনার আর কোলে ম্যাককোনচি। সপ্তম উইকেটে ৪৭ বলে ৮৪ রানের দুর্দান্ত এক জুটিতে কিউইদের ভাল

বিপদে কাটিয়ে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি নিউজিল্যান্ডের

৮৪ রানে নেই ৬ উইকেট। লঙ্কান স্পিন আক্রমণের মুখে বড় বিপদেই পড়েছিল নিউজিল্যান্ড। সেখান থেকে অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার আর কোলে ম্যাককোনচির দুর্দান্ত এক জুটিতে শুধু বিপদই কাটেনি, চ্যালেঞ্জিং পুঁজি দাঁড় করিয়েছে কিউইরা।

কলম্বোয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের ম্যাচে ৭ উইকেটে ১৬৮ রান তুলেছে নিউজিল্যান্ড। অর্থাৎ জিততে হলে স্বাগতিক লঙ্কানদের করতে হবে ১৬৯।

টস হেরে ব্যাট করতে নামা নিউজিল্যান্ডকে উড়ন্ত সূচনা এনে দিয়েছিলেন ফিন অ্যালেন। তবে ১৩ বলে ২৩ করে মাহিশ থিকসানার ফিরতি ক্যাচে তিনি ফেরার পর আরেক ওপেনার টিম শেইফার্টও (৯ বলে ৮) সাজঘরের পথ ধরেন দ্রুত। ১৮ বলে ১৮ করে ফেরেন গ্লেন ফিলিপস।

রাচিন রবীন্দ্র চালিয়ে খেলছিলেন। কিন্তু ১২তম ওভারে জোড়া আঘাত হানেন থিকসানা। ২২ বলে ৩২ রানে ফেরেন রাচিন, মার্ক চ্যাপম্যান বোল্ড হন শূন্য রানেই।

পরের ওভারে দুনিথ ওয়াল্লালাগে বোল্ড করেন ড্যারিল মিচেলকে (০)। ৯ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে নিউজিল্যান্ড।

৮৪ রানে ৬ উইকেট হারানো দলকে এরপর টেনে তোলার দায়িত্ব নেন মিচেল স্যান্টনার আর কোলে ম্যাককোনচি। সপ্তম উইকেটে ৪৭ বলে ৮৪ রানের দুর্দান্ত এক জুটিতে কিউইদের ভালো সংগ্রহ এনে দেন তারা।

স্যান্টনার ইনিংসের শেষ বলে আউট হন ২৬ বলে ২ চার আর ৪ ছক্কায় ৪৭ রান করে। ম্যাককোনচি করেন ২৩ বলে অপরাজিত ৩১।

শ্রীলঙ্কার মাহিশ থিকসানা আর দুশমন্ত চামিরা নেন তিনটি করে উইকেট।

এমএমআর

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow