বিল পরিশোধ না করে বেরিয়ে যাওয়া বন্ধে গ্রাহকদের ভেতরে রেখে বাইরে তালা

২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে রাজধানীর বেইলি রোডে কেএফসি ভবনের পাশে অবস্থিত কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টের ভবনে। এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ১১টি ইউনিটের দীর্ঘ সময়ের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। এই আগুনে সে সময় বিভিন্ন ‘অব্যবস্থাপনার জালে’ আটকা পড়ে অন্তত ৪৬ জনের প্রাণহানি ঘটে। আগুনের ঘটনায় রাজধানীর রমনা থানায় একটি মামলা হয়। পরে মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি)। প্রায় দুই বছর তদন্ত শেষে গত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ভবনের মালিকপক্ষ আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রমজানুল হক নিহাদসহ ২২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে সিআইডি। সিআইডির তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলছে, ওইদিন রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কজি কটেজে আগুন লাগার সূত্রপাত ঘটে ভবনের নিচতলার ‘চুমুক’ নামের একটি কফিশপের বৈদ্যুতিক কেটলি থেকে। ঘটনার দিন ২৯ ফেব্রুয়ারি ‘লিপ ইয়ার’ উপলক্ষে ‘কাচ্চি ভাই’ খাবারের দোকানে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছিল। এ কারণে ওইদিন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি গ্রাহক ছিল। সূত্র বলছে, সেদিন আগুনের খবর পেয়ে প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে

বিল পরিশোধ না করে বেরিয়ে যাওয়া বন্ধে গ্রাহকদের ভেতরে রেখে বাইরে তালা

২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে রাজধানীর বেইলি রোডে কেএফসি ভবনের পাশে অবস্থিত কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টের ভবনে। এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ১১টি ইউনিটের দীর্ঘ সময়ের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। এই আগুনে সে সময় বিভিন্ন ‘অব্যবস্থাপনার জালে’ আটকা পড়ে অন্তত ৪৬ জনের প্রাণহানি ঘটে।

আগুনের ঘটনায় রাজধানীর রমনা থানায় একটি মামলা হয়। পরে মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি)। প্রায় দুই বছর তদন্ত শেষে গত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ভবনের মালিকপক্ষ আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রমজানুল হক নিহাদসহ ২২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে সিআইডি।

সিআইডির তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলছে, ওইদিন রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কজি কটেজে আগুন লাগার সূত্রপাত ঘটে ভবনের নিচতলার ‘চুমুক’ নামের একটি কফিশপের বৈদ্যুতিক কেটলি থেকে। ঘটনার দিন ২৯ ফেব্রুয়ারি ‘লিপ ইয়ার’ উপলক্ষে ‘কাচ্চি ভাই’ খাবারের দোকানে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছিল। এ কারণে ওইদিন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি গ্রাহক ছিল।

সূত্র বলছে, সেদিন আগুনের খবর পেয়ে প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে দেওয়ার নির্দেশনা দেন দোকানের ব্যবস্থাপক জেইন উদ্দিন জিসান, যেন বিল পরিশোধ না করে কেউ বেরিয়ে যেতে না পারেন। এতে ওই খাবারের দোকানে আটকা পড়েন অনেকে এবং সেখানে শ্বাসরোধ হয়ে মারা যান সবচেয়ে বেশি মানুষ।

সিআইডির তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, দোকানের ব্যবস্থাপক জেইন উদ্দিন জিসানের নির্দেশে দোকানের ফটকে তালা দেওয়া হয়েছিল। তার খামখেয়ালিপনার জন্য অনেকে মারা গেছেন। সেজন্য তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে ২০ জন পুরুষ, ১৮ জন নারী ও ৮ জন শিশু। তাদের মধ্যে ৪৩ জনের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা গেছে এবং সর্বশেষ খবর অনুযায়ী ৪০ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কেআর/এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow