বিশ্বকাপ উন্মাদনায় ভাইরাল হাঁস, ছবি তুলতে সমর্থকদের ভিড়
একটি পোষা হাঁস এখন বিশ্বকাপ ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের অন্যতম আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ‘মার্লিন’ নামের এই হাঁসকে অনেকেই ২০২৬ বিশ্বকাপে মেক্সিকোর ‘অঘোষিত মাসকট’ হিসেবে দেখছেন। মেক্সিকোর জার্সি ও বিশেষভাবে তৈরি মোজা পরে ঘুরে বেড়ানো মার্লিন প্রথম আলোচনায় আসে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মেক্সিকোর ২-০ গোলের জয়ের পর। রাজধানী মেক্সিকো সিটির রিফর্মা অ্যাভিনিউয়ে বিজয় উদযাপনের সময় সমর্থকদের ভিড়ের মধ্যে হাঁটতে দেখা যায় তাকে। এ সময় উপস্থিত অনেকেই মার্লিনের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই ভিডিওগুলো ভাইরাল হয়ে যায় এবং বহু ফুটবল সমর্থক মার্লিনকে মেক্সিকোর নতুন বিশ্বকাপ মাসকট করার দাবি জানাতে শুরু করেন। মার্লিনের মালিক কার্লা গোমেজ জানান, তারা কখনো ভাবেননি তাদের পোষা হাঁসটি এত জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, সেদিন আমাদের কাছে এটি ছিল একেবারে স্বাভাবিক দিন। আমরা ভেবেছিলাম কেউ আমাদের খেয়ালই করবে না। কিন্তু হঠাৎ করেই মার্লিন সবার নজর কাড়ে। বর্তমানে মার্লিনকে দেখতে ও তার সঙ্গে ছবি তুলতে প্রতিদিনই অনেক মানুষ ভিড় করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার জনপ্রিয়তা
একটি পোষা হাঁস এখন বিশ্বকাপ ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের অন্যতম আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ‘মার্লিন’ নামের এই হাঁসকে অনেকেই ২০২৬ বিশ্বকাপে মেক্সিকোর ‘অঘোষিত মাসকট’ হিসেবে দেখছেন।
মেক্সিকোর জার্সি ও বিশেষভাবে তৈরি মোজা পরে ঘুরে বেড়ানো মার্লিন প্রথম আলোচনায় আসে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মেক্সিকোর ২-০ গোলের জয়ের পর। রাজধানী মেক্সিকো সিটির রিফর্মা অ্যাভিনিউয়ে বিজয় উদযাপনের সময় সমর্থকদের ভিড়ের মধ্যে হাঁটতে দেখা যায় তাকে।
এ সময় উপস্থিত অনেকেই মার্লিনের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই ভিডিওগুলো ভাইরাল হয়ে যায় এবং বহু ফুটবল সমর্থক মার্লিনকে মেক্সিকোর নতুন বিশ্বকাপ মাসকট করার দাবি জানাতে শুরু করেন।
মার্লিনের মালিক কার্লা গোমেজ জানান, তারা কখনো ভাবেননি তাদের পোষা হাঁসটি এত জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, সেদিন আমাদের কাছে এটি ছিল একেবারে স্বাভাবিক দিন। আমরা ভেবেছিলাম কেউ আমাদের খেয়ালই করবে না। কিন্তু হঠাৎ করেই মার্লিন সবার নজর কাড়ে।
বর্তমানে মার্লিনকে দেখতে ও তার সঙ্গে ছবি তুলতে প্রতিদিনই অনেক মানুষ ভিড় করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে।
গোমেজ বলেন, মানুষ মার্লিনকে এত ভালোবাসছে, এটা আমাদের জন্য বড় আনন্দের বিষয়। বিশ্বকাপের অঘোষিত মাসকট হিসেবে তাকে দেখায় আমরা গর্বিত।
এরই মধ্যে বিশ্বকাপের ম্যাচ নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেও আলোচনায় এসেছে মার্লিন। মেক্সিকো ও দক্ষিণ কোরিয়ার পতাকার মধ্যে বেছে নিতে দেওয়া হলে সে মেক্সিকোর পতাকাই নির্বাচন করে।
বিশ্বকাপ চলাকালে মেক্সিকোর সমর্থকদের কাছে মার্লিন এখন শুধু একটি পোষা হাঁস নয়, বরং উৎসবের এক নতুন প্রতীক হয়ে উঠেছে।
সূত্র: রয়টার্স, জিও টিভি
এমএসএম
What's Your Reaction?