বিশ্বকাপ ঘিরেও জমছে না যুক্তরাষ্ট্রের হোটেল ব্যবসা

যেই দেশে ও শহরে কোনো খেলার বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়, সেসব শহরে তুমুল ব্যস্ততা থাকে বিভিন্ন দেশের ভক্ত ও সমর্থকদের। পছন্দের দলের খেলা দেখতে এসে তারা অবস্থানের জন্য বিভিন্ন হোটেলে রুম বুকিং দেয়। সেই সময়টায় একটা ব্যবসা হয় হোটেল ব্যবসায়ীদের। তবে আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এখন পর্যন্ত ভালো আয়ের সংকেত মেলেনি যুক্তরাষ্ট্রের হোটেল মালিকদের। আমেরিকান হোটেল অ্যান্ড লজিং অ্যাসোসিয়েশনের একটি প্রতিবেদন বলছে, বিশ্বকাপের মৌসুমে ভালো আয়ের প্রত্যাশা করা হলেও এখন পর্যন্ত তেমনকোনো বুকিং তাদের হয়নি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, হোটেল মালিকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী ব্যবসায়ের আভাস মিলছে না ২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে। যেসকল শহরে ম্যাচ রয়েছে। কোথাও এখন পর্যন্ত সেভাবে বুকিং হয়নি। মে মাসের শুরুর দিকে আমেরিকান হোটেল অ্যান্ড লজিং অ্যাসোসিয়েশন ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে প্রকাশ করে ‘হোটেল আউটলুক রিপোর্ট।’ সেখানে উল্লেখ করা হয় যে, কেমন চ্যালেঞ্জ আসতে যাচ্ছে শিল্পের সামনে। প্রত্যাশিত চাহিদা হোটেল বুকিংয়ের ক্ষেত্রে তেমন উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি নেই। এমনকি আন্তর্জাতিক দর্শকদের তুলনায় দেশীয় ভ্রমণকারীদের সংখ্যাই বেশি। এমনটা জানা গে

বিশ্বকাপ ঘিরেও জমছে না যুক্তরাষ্ট্রের হোটেল ব্যবসা

যেই দেশে ও শহরে কোনো খেলার বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়, সেসব শহরে তুমুল ব্যস্ততা থাকে বিভিন্ন দেশের ভক্ত ও সমর্থকদের। পছন্দের দলের খেলা দেখতে এসে তারা অবস্থানের জন্য বিভিন্ন হোটেলে রুম বুকিং দেয়। সেই সময়টায় একটা ব্যবসা হয় হোটেল ব্যবসায়ীদের। তবে আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এখন পর্যন্ত ভালো আয়ের সংকেত মেলেনি যুক্তরাষ্ট্রের হোটেল মালিকদের।

আমেরিকান হোটেল অ্যান্ড লজিং অ্যাসোসিয়েশনের একটি প্রতিবেদন বলছে, বিশ্বকাপের মৌসুমে ভালো আয়ের প্রত্যাশা করা হলেও এখন পর্যন্ত তেমনকোনো বুকিং তাদের হয়নি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, হোটেল মালিকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী ব্যবসায়ের আভাস মিলছে না ২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে। যেসকল শহরে ম্যাচ রয়েছে। কোথাও এখন পর্যন্ত সেভাবে বুকিং হয়নি।

মে মাসের শুরুর দিকে আমেরিকান হোটেল অ্যান্ড লজিং অ্যাসোসিয়েশন ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে প্রকাশ করে ‘হোটেল আউটলুক রিপোর্ট।’ সেখানে উল্লেখ করা হয় যে, কেমন চ্যালেঞ্জ আসতে যাচ্ছে শিল্পের সামনে।

প্রত্যাশিত চাহিদা হোটেল বুকিংয়ের ক্ষেত্রে তেমন উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি নেই। এমনকি আন্তর্জাতিক দর্শকদের তুলনায় দেশীয় ভ্রমণকারীদের সংখ্যাই বেশি। এমনটা জানা গেছে প্রতিবেদন থেকেই। যেখানে আয়োজক শহরগুলোর বেশ কয়েকজন হোটেল মালিকের ওপর জরিপ চালানো হয়।

আয়োজক শহরগুলোর হোটেল মার্কেটের মধ্যে রয়েছে আটলান্টা, বোস্টন, ডালাস, হিউস্টন, কানসাস সিটি, লস অ্যাঞ্জেলেস, মিয়ামি, নিউ ইয়র্ক, ফিলাডেলফিয়া, সান ফ্রান্সিসকো ও সিয়াটল।

ফিফার রুম বুকিং বাতিল, বেশ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের ভিসা প্রদানে যুক্তরাষ্ট্রের কড়াকড়ি এবং সামগ্রিকভাবে খরচ বৃদ্ধি পাওয়াই মূল কারণ হিসেবে দেখানো হয় প্রতিবেদনে।

যেমনটা ধারণা বা আশা করা হয়েছিল, তারচেয়ে হোটেল বুকিং অনেকটাই কম বলে জানিয়েছেন জরিপে অংশ নেওয়া ৮০ শতাংশ উত্তরদাতা। প্রথমে ফিফা অতিরিক্ত বুকিং করায় কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়। পরে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা অতিরিক্ত বুকিং বাতিল করার পর সংরক্ষিত রুমগুলোর একটি বড় অংশ খালি হয়ে যাওয়ার কথা জানাচ্ছেন হোটেল মালিকরা।

সবচেয়ে বেশি বাজে প্রভাব পড়েছে কানসাস সিটির ওপর। সেখানকার ৮৫ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন যে বুকিংয়ের হার প্রত্যাশার চেয়ে কম, যা সাধারণ সময়ের জুন বা জুলাই মাসের চেয়েও নিচে নেমে গেছে।

আইএন 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow