বিশ্বকাপে বাজিমাত, এবার রিও প্রযুক্তি সম্মেলনে বক্তা হচ্ছেন ভোজিনহা
ফিফা বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে পুরো ফুটবল বিশ্বের নজর কেড়েছিলেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা। মাঠের নৈপুণ্যের পাশাপাশি অনুপ্রেরণাদায়ক জীবনের গল্পে কোটি মানুষের হৃদয় জয় করা এই অভিজ্ঞ গোলকিপার এবার আমন্ত্রণ পেয়েছেন বিশ্বের অন্যতম বড় প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী সম্মেলন রিও ইনোভেশন উইক-এ। আয়োজকরা নিশ্চিত করেছেন, আগামী ৫ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠানের মূল অধিবেশনে বক্তা হিসেবে অংশ নেবেন ভোজিনহা। মাঠ থেকে প্রযুক্তি সম্মেলনের মঞ্চে রিও ইনোভেশন উইকের আয়োজকরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ভোজিনহার অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়ে লিখেছেন, ‘বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চ থেকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন সম্মেলনের মঞ্চে আসছেন ভোজিনহা। ২০২৬ বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত এই ফুটবলার তার ক্যারিয়ার, নেতৃত্ব, চাপের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলবেন।’ আয়োজকদের মতে, ভোজিনহার অভিজ্ঞতা শুধু ফুটবল নয়, নেতৃত্ব, মানসিক দৃঢ়তা ও সংকট মোকাবিলার ক্ষেত্রেও অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। বিশ্বকাপে রূপকথার নায়ক ৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের ঐতিহাসিক অভিযানের অন্যতম
ফিফা বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে পুরো ফুটবল বিশ্বের নজর কেড়েছিলেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা। মাঠের নৈপুণ্যের পাশাপাশি অনুপ্রেরণাদায়ক জীবনের গল্পে কোটি মানুষের হৃদয় জয় করা এই অভিজ্ঞ গোলকিপার এবার আমন্ত্রণ পেয়েছেন বিশ্বের অন্যতম বড় প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী সম্মেলন রিও ইনোভেশন উইক-এ।
আয়োজকরা নিশ্চিত করেছেন, আগামী ৫ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠানের মূল অধিবেশনে বক্তা হিসেবে অংশ নেবেন ভোজিনহা।
মাঠ থেকে প্রযুক্তি সম্মেলনের মঞ্চে
রিও ইনোভেশন উইকের আয়োজকরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ভোজিনহার অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়ে লিখেছেন, ‘বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চ থেকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন সম্মেলনের মঞ্চে আসছেন ভোজিনহা। ২০২৬ বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত এই ফুটবলার তার ক্যারিয়ার, নেতৃত্ব, চাপের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলবেন।’
আয়োজকদের মতে, ভোজিনহার অভিজ্ঞতা শুধু ফুটবল নয়, নেতৃত্ব, মানসিক দৃঢ়তা ও সংকট মোকাবিলার ক্ষেত্রেও অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।
বিশ্বকাপে রূপকথার নায়ক
৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের ঐতিহাসিক অভিযানের অন্যতম প্রধান নায়ক ছিলেন। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে একের পর এক অসাধারণ সেভ করে তিনি রাতারাতি বিশ্বজুড়ে পরিচিত মুখে পরিণত হন।
বিশেষ করে স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় ভোজিনহাকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা। তার পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সংগ্রামী জীবনের গল্পও ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বজুড়ে।
এক মাসেই অনুসারী বেড়েছে ৬৫ হাজার শতাংশের বেশি
বিশ্বকাপ শুরুর আগে ইনস্টাগ্রামে ভোজিনহার অনুসারী ছিল ৫০ হাজারেরও কম; কিন্তু মাত্র একমাসের ব্যবধানে সেই সংখ্যা অবিশ্বাস্যভাবে বেড়ে দাঁড়ায় ২ কোটি ৯৫ লাখ (২৯.৫ মিলিয়ন)-এ। অর্থাৎ তার অনুসারীর সংখ্যা বেড়েছে ৬৫ হাজার শতাংশেরও বেশি।
এই অবিশ্বাস্য উত্থানের ফলে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় গোলরক্ষকদের তালিকায় শীর্ষে উঠে আসেন ভোজিনহা।
বর্তমানে ইনস্টাগ্রামে অনুসারীর সংখ্যায় তিনি ছাড়িয়ে গেছেন কিংবদন্তি ইকার কাসিয়াস, কেইলর নাভাস, থিবো কোর্তোয়া, মার্ক-আন্দ্রে টের স্টেগেন, এমিলিয়ানো 'দিবু' মার্টিনেজ, ডেভিড ডি গিয়া, ম্যানুয়েল নয়্যার এবং জিয়ানলুইজি বুফনের মতো তারকাদেরও।
মার্কেটিং নয়, খেলার জন্যই নতুন ক্লাব চান
বিশ্বকাপের পর ভোজিনহাকে নিয়ে বিভিন্ন ক্লাবের আগ্রহের খবর ছড়িয়ে পড়ে। লিওনেল মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামির সঙ্গেও তার নাম জড়ায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন নেটওয়ার্ক সিবিএসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভোজিনহা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, জনপ্রিয়তার জন্য নয়, মাঠের পারফরম্যান্সের মূল্যায়ন করেই যেন কোনো ক্লাব তাকে দলে নেয়।
পূর্ণ নাম জোসিমার জোসে এভোরা দিয়াস- এই গোলরক্ষক বিশ্বকাপের পর বলেছিলেন, ‘আমি এমন একটি ক্লাব খুঁজে পেতে চাই, যারা আমাকে একজন ফুটবলার হিসেবে মাঠে কী দিতে পারি, সেই কারণেই দলে নেবে; শুধুমাত্র মার্কেটিংয়ের জন্য নয়।’
তিনি আরও জানান, শারীরিকভাবে নিজেকে এখনও প্রস্তুত মনে করছেন এবং অন্তত আরও এক থেকে দুই মৌসুম পেশাদার ফুটবল চালিয়ে যেতে চান। অবশেষে নতুন করে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন ভোজিনহা। চিলির বিখ্যাত ক্লাব কোলো কোলো ভোজিনহাকে চুক্তিবদ্ধ করেছে।
মাঠের সাফল্য এনে দিল নতুন পরিচয়
বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফরম্যান্স ভোজিনহাকে শুধু একজন সফল গোলরক্ষক হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত করেনি, বরং তাকে নেতৃত্ব, অধ্যবসায় ও অনুপ্রেরণার প্রতীকেও পরিণত করেছে।
ফুটবল মাঠ থেকে এবার প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের বৈশ্বিক মঞ্চে তার উপস্থিতি প্রমাণ করছে- বিশ্বকাপের সেই রূপকথার গল্প এখন আর শুধু খেলাধুলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; এটি অনুপ্রেরণার গল্প হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বের নানা অঙ্গনে।
আইএইচএস/
What's Your Reaction?