বিশ্বকাপে সেরা হবে কে? জানালেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত খেলছেন সাঞ্জু স্যামসন। ভারতের এই ব্যাটসম্যানের ব্যাটিংয়ে মুগ্ধ হয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক রশিদ লতিফ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে তার বিধ্বংসী ইনিংস দেখে লতিফ বলেন, স্যামসনের ব্যাটিং যেন মানুষের নয়, কম্পিউটারের মতো নিখুঁত। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ওই সেমিফাইনালে স্যামসন মাত্র ৪২ বলে ৮৯ রান করে ভারতের বড় সংগ্রহ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার ইনিংসের ওপর ভর করে ভারত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৫৩ রান তোলে এবং শেষ পর্যন্ত ৭ রানে জয় পেয়ে ফাইনালে ওঠে। এই পারফরম্যান্স নিয়েই ক্রিকেট বিশ্লেষণমূলক অনুষ্ঠান ‘হারনা মানা হ্যায়’-এ কথা বলতে গিয়ে রশিদ লতিফ বলেন, ‘স্যামসন যেভাবে ব্যাট করেছে, মনে হচ্ছিল যেন একটি কম্পিউটার ব্যাট করছে। স্পিনার হোক বা পেসার কাউকেই তোয়াক্কা করেনি সে। বিশেষ করে হ্যারি ব্রুকের হাতে ক্যাচ পড়ে যাওয়ার পর খুব দ্রুতই সে ম্যাচের গতি নিজের দিকে টেনে নেয়। আর একই ম্যাচে সে নীরবে উইকেটকিপিংও করেছে যা আমরা যেন টেরই পাইনি।’ স্যামসনকে নিয়ে লতিফ আরো বলেন, ‘সে অসাধারণ সংযত একজন খেলোয়াড়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড দুই ম্যাচেই যেভা
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত খেলছেন সাঞ্জু স্যামসন। ভারতের এই ব্যাটসম্যানের ব্যাটিংয়ে মুগ্ধ হয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক রশিদ লতিফ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে তার বিধ্বংসী ইনিংস দেখে লতিফ বলেন, স্যামসনের ব্যাটিং যেন মানুষের নয়, কম্পিউটারের মতো নিখুঁত।
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ওই সেমিফাইনালে স্যামসন মাত্র ৪২ বলে ৮৯ রান করে ভারতের বড় সংগ্রহ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার ইনিংসের ওপর ভর করে ভারত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৫৩ রান তোলে এবং শেষ পর্যন্ত ৭ রানে জয় পেয়ে ফাইনালে ওঠে।
এই পারফরম্যান্স নিয়েই ক্রিকেট বিশ্লেষণমূলক অনুষ্ঠান ‘হারনা মানা হ্যায়’-এ কথা বলতে গিয়ে রশিদ লতিফ বলেন, ‘স্যামসন যেভাবে ব্যাট করেছে, মনে হচ্ছিল যেন একটি কম্পিউটার ব্যাট করছে। স্পিনার হোক বা পেসার কাউকেই তোয়াক্কা করেনি সে। বিশেষ করে হ্যারি ব্রুকের হাতে ক্যাচ পড়ে যাওয়ার পর খুব দ্রুতই সে ম্যাচের গতি নিজের দিকে টেনে নেয়। আর একই ম্যাচে সে নীরবে উইকেটকিপিংও করেছে যা আমরা যেন টেরই পাইনি।’
স্যামসনকে নিয়ে লতিফ আরো বলেন, ‘সে অসাধারণ সংযত একজন খেলোয়াড়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড দুই ম্যাচেই যেভাবে সে দলের গতি ধরে রেখেছে, আমার চোখে স্যামসনেরই টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হওয়া উচিত। সে যেভাবে ক্রিকেট খেলেছে, তাতে আমরা সবাই বিস্মিত। আর এর কৃতিত্ব ভারতীয় দল ব্যবস্থাপনাকেও দিতে হবে, ফর্ম হারানোর পরও তারা তার ওপর আস্থা রেখেছিল। আর স্যামসনও জোরালোভাবে সেই আস্থার প্রতিদান দিয়েছে।’
উল্লেখ্য, সেমিফাইনালের আগে সুপার এইট পর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেও দারুণ ইনিংস খেলেছিলেন স্যামসন। সেই ম্যাচে তিনি ৯৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন এবং টানা দুই ম্যাচে দলের ব্যাটিংয়ের গতি ধরে রেখে ভারতকে শিরোপার লড়াইয়ে এগিয়ে দেন।
বর্তমান বিশ্বকাপে তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্সই তাকে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার হিসেবে আলোচনায় এনে দিয়েছে।
What's Your Reaction?