বিশ্বকাপের আগে ডাক না পেয়ে হতাশায় ভেঙে পড়েছেন নেইমার
ফিট না থাকায় বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে হতে যাওয়া দুই প্রীতি ম্যাচের জন্য ব্রাজিলের স্কোয়াডে জায়গা হয়নি নেইমারের। এতে করে বিশ্বকাপ স্কোয়াডেও তার না থাকার সম্ভাবনা আরও জোরালো হলো। স্কোয়াড থেকে বাদ পড়ার পর সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল নেইমার কিছু বলবে সেই আশায়। অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন তিনি। কার্লো আনচেলত্তির স্কোয়াডে জায়গা না পাওয়ায় তিনি ‘অসন্তুষ্ট’ ও ‘কষ্ট’ পেয়েছেন। নেইমার লিখেছেন, ‘আমি এখানে এ বিষয়ে কথা বলছি কারণ আমি এটাকে সহজে মেনে নিতে পারছি না।’ নেইমারকে বাইরে রেখেই স্কোয়াড ঘোষণা করায় ধাক্কা খেয়েছে দেশটির ফুটবল সমর্থকরা। কেননা, তিনি ব্রাজিলের ফুটবলের প্রধান মুখ হিসেবে পরিচিত দীর্ঘদিন ধরেই। সান্তোস তারকাকে ছাড়াই এই উইন্ডোতে এগোনোর সিদ্ধান্ত কোচ আনচেলোত্তির একটি বড় কৌশলগত পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ভক্তদের মধ্যে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, যাদের কাছে নেইমারের মাঠে থাকা গুরুত্ব বহন করে। বাদ পড়া নিয়ে হতাশা থাকলেও সেটিকে একপাশে রেখে নেইমার জানিয়েছেন, তিনি তার পেশাদার মান বজায় রাখতে মনোযোগী। তিনি জোর দিয়েছেন যে এই নির্দিষ্ট ক্যাম্পে অনুপস্থিতি তার দী
ফিট না থাকায় বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে হতে যাওয়া দুই প্রীতি ম্যাচের জন্য ব্রাজিলের স্কোয়াডে জায়গা হয়নি নেইমারের। এতে করে বিশ্বকাপ স্কোয়াডেও তার না থাকার সম্ভাবনা আরও জোরালো হলো।
স্কোয়াড থেকে বাদ পড়ার পর সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল নেইমার কিছু বলবে সেই আশায়। অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন তিনি। কার্লো আনচেলত্তির স্কোয়াডে জায়গা না পাওয়ায় তিনি ‘অসন্তুষ্ট’ ও ‘কষ্ট’ পেয়েছেন। নেইমার লিখেছেন, ‘আমি এখানে এ বিষয়ে কথা বলছি কারণ আমি এটাকে সহজে মেনে নিতে পারছি না।’
নেইমারকে বাইরে রেখেই স্কোয়াড ঘোষণা করায় ধাক্কা খেয়েছে দেশটির ফুটবল সমর্থকরা। কেননা, তিনি ব্রাজিলের ফুটবলের প্রধান মুখ হিসেবে পরিচিত দীর্ঘদিন ধরেই।
সান্তোস তারকাকে ছাড়াই এই উইন্ডোতে এগোনোর সিদ্ধান্ত কোচ আনচেলোত্তির একটি বড় কৌশলগত পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ভক্তদের মধ্যে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, যাদের কাছে নেইমারের মাঠে থাকা গুরুত্ব বহন করে।
বাদ পড়া নিয়ে হতাশা থাকলেও সেটিকে একপাশে রেখে নেইমার জানিয়েছেন, তিনি তার পেশাদার মান বজায় রাখতে মনোযোগী। তিনি জোর দিয়েছেন যে এই নির্দিষ্ট ক্যাম্পে অনুপস্থিতি তার দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যকে থামাবে না এবং এটিকে আরও অধ্যবসায়ের আহ্বান হিসেবে দেখছেন।
এই বাদ পড়া কোনো সমাপ্তি নয়, বরং তিনি দেখেছেন অনুপ্রেরণার এক নতুন অধ্যায় হিসেবে। আন্তর্জাতিক ক্যালেন্ডার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। নেইমার ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপের প্লেনে নিজের জায়গা নিশ্চিত করার শেষ সুযোগগুলোর দিকে তাকাচ্ছেন।
দলের নিজের জায়গা পুনরুদ্ধারের ইচ্ছা প্রকাশ করে নেইমার আনচেলত্তি এবং ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশনকে সংকেত দিচ্ছেন যে তিনি এই হতাশাকে শক্তিতে রূপান্তর করে আবারও আন্তর্জাতিক মঞ্চে উজ্জ্বল হতে প্রস্তুত।
মাসের শেষদিকে প্রীতি ম্যাচ এবং সকলের নজর থাকবে অভিজ্ঞ নেইমার ছাড়া কেমন পারফর্ম করে ব্রাজিল। আর নেইমার ক্লাবের হয়ে পারফর্ম করে আবারও জাতীয় দলে ফিরবে এমনটাই আশা।
আইএন
What's Your Reaction?