বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়া নিয়ে পিটিয়ে হত্যা, আসামি গ্রেফতার

গাইবান্ধায় বিয়ের অনুষ্ঠানে পাতে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর ছায়দার আলী (৫০) হত্যা মামলার অন্যতম আসামি গোলজার রহমানকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। বুধবার (১ এপ্রিল) দিনগত রাত সোয়া ৯টার দিকে সদর উপজেলার ঘাগোয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে র‍্যাব-১৩ সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। গ্রেফতার গোলজার রহমান গাইবান্ধা সদর উপজেলার ঘাগোয়া ইউনিয়নের উত্তর ঘাগোয়া (টেংগামারা) এলাকার মুত আব্দুল সামাদের ছেলে। তিনি মামলার এজাহারনামীয় দুই নম্বর আসামি। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বছরের ২২ জুন দিনগত রাতে বিয়ে বাড়ির খাবার অনুষ্ঠানে গোলজার রহমান ও তার সহযোগীদের প্লেটে মাংস কম হওয়ায় মনোয়ারা বেগম নামে এক নারী নিহত ছায়দার আলীর (৫০) মুখে মাংস-ভাতসহ প্লেট ছুড়ে মারে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে ১৫ থেকে ২০ জন রান্না করার লাকরি, লাঠি, লোহার রড দিয়ে ছায়দার আলী মাথায় এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করে। পরে আহত ছায়দার আলীকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে গাইবান্ধা সদর হাসপাতাল

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়া নিয়ে পিটিয়ে হত্যা, আসামি গ্রেফতার

গাইবান্ধায় বিয়ের অনুষ্ঠানে পাতে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর ছায়দার আলী (৫০) হত্যা মামলার অন্যতম আসামি গোলজার রহমানকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। বুধবার (১ এপ্রিল) দিনগত রাত সোয়া ৯টার দিকে সদর উপজেলার ঘাগোয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে র‍্যাব-১৩ সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

গ্রেফতার গোলজার রহমান গাইবান্ধা সদর উপজেলার ঘাগোয়া ইউনিয়নের উত্তর ঘাগোয়া (টেংগামারা) এলাকার মুত আব্দুল সামাদের ছেলে। তিনি মামলার এজাহারনামীয় দুই নম্বর আসামি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বছরের ২২ জুন দিনগত রাতে বিয়ে বাড়ির খাবার অনুষ্ঠানে গোলজার রহমান ও তার সহযোগীদের প্লেটে মাংস কম হওয়ায় মনোয়ারা বেগম নামে এক নারী নিহত ছায়দার আলীর (৫০) মুখে মাংস-ভাতসহ প্লেট ছুড়ে মারে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে ১৫ থেকে ২০ জন রান্না করার লাকরি, লাঠি, লোহার রড দিয়ে ছায়দার আলী মাথায় এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করে।

পরে আহত ছায়দার আলীকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে গাইবান্ধা সদর হাসপাতাল ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ২৩ জুন বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে মারা যান তিনি। পরে নিহত ছায়দার আলীর ছেলে বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় তাকে বুধবার দিনগত রাতে গোলজার রহমানকে গ্রেফতার করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য গ্রেফতার আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আনোয়ার আল শামীম/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow