বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্ক: একতরফা শাস্তির বিধান নিয়ে হাইকোর্টের রুল

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ঘটনায় কেবল পুরুষ সঙ্গীকে শাস্তির বিধান কেন অসাংবিধানিক ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিচারপতি হাবিবুল গনির নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। একই সঙ্গে, প্রাপ্তবয়স্কদের পারস্পরিক সম্মতিতে গড়ে ওঠা সম্পর্ককে ‘বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি’র ভিত্তিতে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করার বিধান কেন বাতিল করা হবে না, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এর আগে আইনজীবী ইসরাত হাসান এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সংশ্লিষ্ট আইনি বিধানের বিভিন্ন অসামঞ্জস্য ও সাংবিধানিক প্রশ্ন তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ২০ মার্চ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনী খসড়ায় বিয়ের প্রলোভনে যৌন সম্পর্ক স্থাপনকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে কোন পরিস্থিতিতে এ অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে গণ্য হবে শারীরিক সম্পর্কের সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া, নাকি পরবর্তীতে বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া সে বিষয়ে আইনে স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। ইসরাত হাসানের মতে, আইনের বর্তমান বিধানে প্রাপ্তবয়স্ক একজন নারী স্বেচ্ছায় সম্পর্কে জড়ালেও কেবল

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্ক: একতরফা শাস্তির বিধান নিয়ে হাইকোর্টের রুল

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ঘটনায় কেবল পুরুষ সঙ্গীকে শাস্তির বিধান কেন অসাংবিধানিক ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিচারপতি হাবিবুল গনির নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। একই সঙ্গে, প্রাপ্তবয়স্কদের পারস্পরিক সম্মতিতে গড়ে ওঠা সম্পর্ককে ‘বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি’র ভিত্তিতে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করার বিধান কেন বাতিল করা হবে না, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে আইনজীবী ইসরাত হাসান এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সংশ্লিষ্ট আইনি বিধানের বিভিন্ন অসামঞ্জস্য ও সাংবিধানিক প্রশ্ন তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ২০ মার্চ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনী খসড়ায় বিয়ের প্রলোভনে যৌন সম্পর্ক স্থাপনকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে কোন পরিস্থিতিতে এ অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে গণ্য হবে শারীরিক সম্পর্কের সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া, নাকি পরবর্তীতে বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া সে বিষয়ে আইনে স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই।

ইসরাত হাসানের মতে, আইনের বর্তমান বিধানে প্রাপ্তবয়স্ক একজন নারী স্বেচ্ছায় সম্পর্কে জড়ালেও কেবল পুরুষ সঙ্গীর জন্য সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে, যা বৈষম্যমূলক ও প্রশ্নবিদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে গড়ে ওঠা সম্পর্কে উভয় পক্ষেরই সমান অংশগ্রহণ থাকে। সে ক্ষেত্রে কেবল একজনকে দায়ী করে শাস্তির আওতায় আনা ন্যায়বিচার ও সাংবিধানিক সমতার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা বিচারিক পর্যালোচনার বিষয় হওয়া উচিত।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow