বুধবার টঙ্গীতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুধবার (২০ মে) গাজীপুরের টঙ্গীতে যাচ্ছেন। তার আগমনকে কেন্দ্র করে টঙ্গীর সাতাইশ ধরপাড়া এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। এদিন তিনি ‘জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট’ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা খাতে এটি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন এমপি এবং সভাপতিত্ব করবেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদ হাবিব দুলু এমপি। অনুষ্ঠানসূচি অনুযায়ী, দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে আমন্ত্রিত অতিথিদের আসন গ্রহণের মধ্য দিয়ে কার্যক্রম শুরু হবে। দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। পরে তিনি প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে আয়োজিত উপস্থাপনা পরিদর্শন এবং দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেবেন। এরপর দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে শুরু হব

বুধবার টঙ্গীতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুধবার (২০ মে) গাজীপুরের টঙ্গীতে যাচ্ছেন। তার আগমনকে কেন্দ্র করে টঙ্গীর সাতাইশ ধরপাড়া এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। এদিন তিনি ‘জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট’ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা খাতে এটি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন এমপি এবং সভাপতিত্ব করবেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদ হাবিব দুলু এমপি। অনুষ্ঠানসূচি অনুযায়ী, দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে আমন্ত্রিত অতিথিদের আসন গ্রহণের মধ্য দিয়ে কার্যক্রম শুরু হবে। দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। পরে তিনি প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে আয়োজিত উপস্থাপনা পরিদর্শন এবং দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেবেন। এরপর দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে শুরু হবে সুধী সমাবেশ। এতে স্বাগত বক্তব্য, বিশেষ অতিথির বক্তব্য, সভাপতির বক্তব্য এবং প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করার কথা রয়েছে। সবশেষে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইনস্টিটিউট নির্মাণের জন্য টঙ্গীর সাতাইশ মৌজার ধরপাড়ায় যে সরকারি জমি নির্বাচন করা হয়েছে, সেটি দীর্ঘদিন অবৈধ দখলে ছিল। পরবর্তীতে প্রশাসনিক তৎপরতা, পুরোনো সরকারি নথিপত্র যাচাই এবং স্থানীয় পর্যায়ের অনুসন্ধানের মাধ্যমে জমিটি পুনরুদ্ধারের কার্যক্রম শুরু হয়। জানা যায়, পাকিস্তান আমলে ষাটের দশকে রিফিউজি পুনর্বাসনের জন্য টঙ্গীর সাতাইশ, গুশুলিয়া ও গাছা মৌজায় বিপুল পরিমাণ জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে এসব জমির বড় একটি অংশ বেদখলে চলে যাওয়ায় এর ইতিহাসও প্রায় বিস্মৃত হয়ে পড়ে। পরে প্রশাসনের উদ্যোগে সাতাইশ মৌজার গুরুত্বপূর্ণ অংশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে এখনো মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কিছু জমি পুরোপুরি উদ্ধার হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনুষ্ঠান সফল করতে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক (ত্রাণ) রাসেল সাবরিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠানস্থলের সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। নিরাপত্তা, অবকাঠামো, অতিথি আপ্যায়নসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে সম্পন্ন করা হয়েছে। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। তিনি আরও বলেন, এখান থেকে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ওপর আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকেও প্রশিক্ষণার্থী ও গবেষকরা ভবিষ্যতে এই ইনস্টিটিউটে এসে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন বলে আমরা আশাবাদী। জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় দক্ষ জনবল তৈরির জন্য এ ধরনের বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান সময়ের দাবি। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট বাস্তবায়িত হলে শুধু দুর্যোগ মোকাবিলায় দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে না বরং গাজীপুর ও টঙ্গী অঞ্চলে নতুন কর্মসংস্থান, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের যোগাযোগও বৃদ্ধি পাবে।  সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রে পরিণত হওয়ার পথে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow