বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধায় বছরে ঘাটতি ১৫৬ কোটি টাকা
বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধাদানে বড় ধরনের আর্থিক সংকট চলছে। বর্তমানে এই খাতে প্রতিবছর প্রায় ১৫৬ কোটি টাকার ঘাটতি হচ্ছে। এর ফলে ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রায় ৪৪ হাজার আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ঝুলে আছে। রোববার (১৪ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান। বিকেল ৩টায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. গোলাম রছুলের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের বার্ষিক মোট আয় প্রায় ৬৮৪ কোটি টাকা। বিপরীতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সুবিধা দিতে বছরে প্রয়োজন প্রায় ৮৪০ কোটি টাকা। ফলে প্রতিবছর ১৫৬ কোটি টাকার বিশাল ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। সুবিধা পেতে বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করে এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মাসিক বেতনের ৪ শতাংশ চাঁদা এবং এর বিনিয়োগজনিত মুনাফা থেকেই এই ট্রাস্ট পরিচালিত হয়। কিন্তু মূল বেতনের বার্ষিক প্রবৃদ্ধির কারণে
বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধাদানে বড় ধরনের আর্থিক সংকট চলছে। বর্তমানে এই খাতে প্রতিবছর প্রায় ১৫৬ কোটি টাকার ঘাটতি হচ্ছে। এর ফলে ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রায় ৪৪ হাজার আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ঝুলে আছে।
রোববার (১৪ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান। বিকেল ৩টায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়।
যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. গোলাম রছুলের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের বার্ষিক মোট আয় প্রায় ৬৮৪ কোটি টাকা। বিপরীতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সুবিধা দিতে বছরে প্রয়োজন প্রায় ৮৪০ কোটি টাকা। ফলে প্রতিবছর ১৫৬ কোটি টাকার বিশাল ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।
সুবিধা পেতে বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করে এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মাসিক বেতনের ৪ শতাংশ চাঁদা এবং এর বিনিয়োগজনিত মুনাফা থেকেই এই ট্রাস্ট পরিচালিত হয়। কিন্তু মূল বেতনের বার্ষিক প্রবৃদ্ধির কারণে দায়ের পরিমাণ ক্রমাগত বাড়ছে। এই আর্থিক সংকটের কারণেই সুবিধা প্রদানে সময় লাগছে।’
মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে ৪৪ হাজার আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এই বিশাল সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির জন্য এককালীন প্রায় তিন হাজার ১৫০ কোটি টাকার অতিরিক্ত অর্থ প্রয়োজন।
আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তিতে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এরই মধ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৯ হাজার ২৮৪ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে ৫৫৩ কোটি ৬৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকার বেশি সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত জমাকৃত সব আবেদন নিষ্পত্তি করে ‘আইবাস প্লাস প্লাস’ পদ্ধতিতে সরাসরি ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠানো হয়েছে।
এহছানুল হক মিলন বলেন, ২০২৩ সালের জুন ও জুলাই মাসের আবেদনগুলো পরিশোধের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। অনিষ্পন্ন ৪৪ হাজার আবেদন দ্রুত শেষ করতে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থানের বিষয়টি সরকার সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে।
এমওএস/একিউএফ
What's Your Reaction?
