ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষে নিহত যুবকের মরদেহ দাফন করেই ফের সংঘর্ষ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পাওনা টাকা নিয়ে সংঘর্ষে নিহত যুবককে দাফন করে আবারও দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দফায় দফায় উপজেলার কালিকচ্ছ বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষ চলে। সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার সূর্যকান্দি গ্রামের ব্যবসায়ী মোশারফ হোসেন পাঁচ লাখ টাকার চটা-পাটি (বিলে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত) বিক্রি করেছিলেন একই উপজেলার ধরন্তি গ্রামের আশিক ও আলালের কাছে। দীর্ঘ ৯ মাস ধরে পাওনা টাকা চেয়েও পাচ্ছিলেন না মোশারফ। রোববার (২৮ জুন) বিকেলে উপজেলার কালিকচ্ছ শহীদ মিনার এলাকায় পাওনাদার মোশারফের সঙ্গে আশিক ও আলালের দেখা হয়। এসময় মোশারফ পাওনা টাকা চাইলে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এরই জেরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে খাদিম মিয়া নামের এক যুবক টেঁটাবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান। সোমবার বাদ আসর ধরন্তী মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে এর পাশেই কবরস্থানে মরদেহ কবর দেওয়া হয়। মরদেহ কবর দেওয়ার পর পরই দুই পক্ষ পুনরায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় কালিকচ্ছ বাজার এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত। ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলেও দফায় দফায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষে নিহত যুবকের মরদেহ দাফন করেই ফের সংঘর্ষ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পাওনা টাকা নিয়ে সংঘর্ষে নিহত যুবককে দাফন করে আবারও দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (২৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দফায় দফায় উপজেলার কালিকচ্ছ বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষ চলে। সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার সূর্যকান্দি গ্রামের ব্যবসায়ী মোশারফ হোসেন পাঁচ লাখ টাকার চটা-পাটি (বিলে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত) বিক্রি করেছিলেন একই উপজেলার ধরন্তি গ্রামের আশিক ও আলালের কাছে। দীর্ঘ ৯ মাস ধরে পাওনা টাকা চেয়েও পাচ্ছিলেন না মোশারফ। রোববার (২৮ জুন) বিকেলে উপজেলার কালিকচ্ছ শহীদ মিনার এলাকায় পাওনাদার মোশারফের সঙ্গে আশিক ও আলালের দেখা হয়। এসময় মোশারফ পাওনা টাকা চাইলে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এরই জেরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে খাদিম মিয়া নামের এক যুবক টেঁটাবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান।

সোমবার বাদ আসর ধরন্তী মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে এর পাশেই কবরস্থানে মরদেহ কবর দেওয়া হয়। মরদেহ কবর দেওয়ার পর পরই দুই পক্ষ পুনরায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

এসময় কালিকচ্ছ বাজার এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত। ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলেও দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে রাত ৮ পর্যন্ত। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এসময় বাজারের অন্তত ১০-১২টি বিভিন্ন দোকান থেকে মালামাল লুটপাট করা হয়। পরে পুলিশ সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনে।

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় ২০টিরও বেশি সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়েছে।’

আবুল হাসনাত মো. রাফি/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow