ব্লেন্ডার মেরামত করতে গিয়ে প্রাণ হারাল যুবক
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় নষ্ট ব্লেন্ডার মেশিন মেরামত করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ঘুড়িদহে নিজ বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জ্যোতিষ চন্দ্র বর্মন (৩২) ঘুড়িদহ ইউনিয়নের মতরপাড়া পচাবস্তা গ্রামের সুরেন্দ্র বর্মনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি নিজ ঘরে নষ্ট ব্লেন্ডার মেশিন মেরামত করার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ লাইনে শর্টসার্কিট হলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয় বলে স্বজনরা জানান।
স্বজন সূত্রে জানা যায়, মতরপাড়া বটতলা বাজারে তার একটি চায়ের দোকান ছিল। তিনি ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার বাবা-মা দুজনই দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত। ফলে তার মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অসহায় অবস্থায় পড়েছে।
নিহতের ফুফাতো ভাই সুমন রায় বলেন, নিজ বাড়িতে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় সাঘাটা থানার ওসি মাহাবুব আলম বলেন, এ ঘটনায়
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় নষ্ট ব্লেন্ডার মেশিন মেরামত করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ঘুড়িদহে নিজ বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জ্যোতিষ চন্দ্র বর্মন (৩২) ঘুড়িদহ ইউনিয়নের মতরপাড়া পচাবস্তা গ্রামের সুরেন্দ্র বর্মনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি নিজ ঘরে নষ্ট ব্লেন্ডার মেশিন মেরামত করার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ লাইনে শর্টসার্কিট হলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয় বলে স্বজনরা জানান।
স্বজন সূত্রে জানা যায়, মতরপাড়া বটতলা বাজারে তার একটি চায়ের দোকান ছিল। তিনি ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার বাবা-মা দুজনই দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত। ফলে তার মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অসহায় অবস্থায় পড়েছে।
নিহতের ফুফাতো ভাই সুমন রায় বলেন, নিজ বাড়িতে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় সাঘাটা থানার ওসি মাহাবুব আলম বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।