ভাঙ্গায় দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর দোকান ভাঙচুর লুটপাট প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার পৌরসদরের কইডুবি সদরদী গ্রামে প্রতিপক্ষের দ্বারা ৪ সন্তানের জনক এক প্রতিবন্ধী যুবকের দোকান ঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মিজানুর রহমান (১৭ মার্চ) মঙ্গলবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ভাঙ্গা পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড কইডুবি সদরদী গ্রামের ঢাকা- বরিশাল মহাসড়ক সংলগ্ন সরকারি জায়গায় হতদরিদ্র দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মিজানুর রহমান একটি মুদি দোকান পরিচালনা করে আসছিলেন। কিন্ত সম্প্রতি চৌধুরীকান্দা সদরী এলাকার সাবেক কাউন্সিলার জাহিদ ফকির গংরা ওই জায়গাটির উপর লোলুপ দৃষ্টি পড়লে মুদি দোকানদার মিজানুর রহমানকে দোকানটি ভেঙ্গে ফেলার জন্য বলে। এক পর্যায়ে ১২ মার্চ (সোমবার) বিকেলে জাহিদ ফকির গংরা সংঘবদ্ধভাবে হতদরিদ্রের দোকান ঘরটি ভেঙে গুড়িয়ে দিয়ে মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। এ সময় বাধা দিলে মিজানুর ও তার পরিবারকে বেধড়ক মারধর করে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার প্রতিকার চেয়ে ভাঙ্গা থানায় একটি অভিযোগ দিলে মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয় মিজানুর নিজেও একজন প্রতিবন্ধী এবং তার ৪ প্রতিবন্ধী
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার পৌরসদরের কইডুবি সদরদী গ্রামে প্রতিপক্ষের দ্বারা ৪ সন্তানের জনক এক প্রতিবন্ধী যুবকের দোকান ঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মিজানুর রহমান (১৭ মার্চ) মঙ্গলবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ভাঙ্গা পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড কইডুবি সদরদী গ্রামের ঢাকা- বরিশাল মহাসড়ক সংলগ্ন সরকারি জায়গায় হতদরিদ্র দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মিজানুর রহমান একটি মুদি দোকান পরিচালনা করে আসছিলেন। কিন্ত সম্প্রতি চৌধুরীকান্দা সদরী এলাকার সাবেক কাউন্সিলার জাহিদ ফকির গংরা ওই জায়গাটির উপর লোলুপ দৃষ্টি পড়লে মুদি দোকানদার মিজানুর রহমানকে দোকানটি ভেঙ্গে ফেলার জন্য বলে।
এক পর্যায়ে ১২ মার্চ (সোমবার) বিকেলে জাহিদ ফকির গংরা সংঘবদ্ধভাবে হতদরিদ্রের দোকান ঘরটি ভেঙে গুড়িয়ে দিয়ে মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। এ সময় বাধা দিলে মিজানুর ও তার পরিবারকে বেধড়ক মারধর করে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার প্রতিকার চেয়ে ভাঙ্গা থানায় একটি অভিযোগ দিলে মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয় মিজানুর নিজেও একজন প্রতিবন্ধী এবং তার ৪ প্রতিবন্ধী সন্তান নিয়ে মুদি দোকান পরিচালনা করে মানবেতর জীবনযাপন করে আসছিলেন। হঠাৎ তার উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী সোনিয়া, পিতা কুদ্দুস মোল্লা, ২ প্রতিবন্ধী পুত্র মোস্তাকিম ইসলাম ও ইসমাইল। এ সময় উপস্থিত গ্রামবাসীরাও প্রতিবন্ধীর দোকান উচ্ছেদের প্রতিবাদ জানান।
এদিকে এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করার পর ভাঙ্গা থানার এ,এস,আই মোঃ ডালিম মিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান,অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার ব্যাপারে অভিযুক্ত জাহিদ ফকিরের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
What's Your Reaction?