ভারতে ৬ মাসের সন্তানকে নিয়ে ষষ্ঠ তলা থেকে নারীর লাফ
ভারতের হায়দ্রাবাদের মিয়াপুর এলাকায় ছয় মাস বয়সী শিশুকে কোলে নিয়ে একটি আবাসিক ভবনের ষষ্ঠ তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তবে অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেছে শিশুটি।
শনিবার (১৩ জুন) এনডিটিভির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, নিহত নারীর নাম ইশা সাহু (৩৭)। পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার বিকেলে তিনি শিশুকন্যাকে কোলে নিয়ে ভবন থেকে লাফ দেন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নিচে পড়ার সময় শিশুটি প্রথমে একটি সুরক্ষাবেষ্টনী বা ফেন্সের ওপর পড়ে, পরে মাটিতে পড়ে। এতে মারাত্মক আঘাত থেকে বেচে যায় সে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত শিশুটিকে কাছের একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটি বর্তমানে চিকিৎসাধীন থাকলেও তার অবস্থা স্থিতিশীল এবং আশঙ্কামুক্ত।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাস ধরে ইশা তীব্র অনিদ্রা, উদ্বেগ এবং সন্তান জন্মের পর দেখা দেওয়া বিষণ্নতার (পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন) উপসর্গে ভুগছিলেন।
এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা একটি মামলা দায়ের করেছি এবং তদন্ত শুরু করেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারী মানসিক চাপে ভুগছিলেন। তবে ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ খতিয়ে
ভারতের হায়দ্রাবাদের মিয়াপুর এলাকায় ছয় মাস বয়সী শিশুকে কোলে নিয়ে একটি আবাসিক ভবনের ষষ্ঠ তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তবে অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেছে শিশুটি।
শনিবার (১৩ জুন) এনডিটিভির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, নিহত নারীর নাম ইশা সাহু (৩৭)। পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার বিকেলে তিনি শিশুকন্যাকে কোলে নিয়ে ভবন থেকে লাফ দেন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নিচে পড়ার সময় শিশুটি প্রথমে একটি সুরক্ষাবেষ্টনী বা ফেন্সের ওপর পড়ে, পরে মাটিতে পড়ে। এতে মারাত্মক আঘাত থেকে বেচে যায় সে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত শিশুটিকে কাছের একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটি বর্তমানে চিকিৎসাধীন থাকলেও তার অবস্থা স্থিতিশীল এবং আশঙ্কামুক্ত।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাস ধরে ইশা তীব্র অনিদ্রা, উদ্বেগ এবং সন্তান জন্মের পর দেখা দেওয়া বিষণ্নতার (পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন) উপসর্গে ভুগছিলেন।
এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা একটি মামলা দায়ের করেছি এবং তদন্ত শুরু করেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারী মানসিক চাপে ভুগছিলেন। তবে ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
ইশা ও তার স্বামী দুজনই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন এবং পরিবার নিয়ে ওই আবাসিক কমপ্লেক্সে বসবাস করতেন। মর্মান্তিক এ ঘটনায় স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
খবর পেয়ে স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত সম্পন্ন করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।