ভারতের বিখ্যাত দুলাল চন্দ্র ভড়ের তালমিছরি তৈরি হচ্ছিল বগুড়ায়!
বগুড়া শহরের বৃন্দাবনপাড়া এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি করা হচ্ছিল ভারতের বিখ্যাত দুলাল চন্দ্র ভড়ের নকল তালমিছরি। এ অপরাধে ‘পূজা মিছরি ঘর’ নামের একটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসন, র্যাব-১২ ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহরাব হোসেন। অভিযান সূত্রে জানা গেছে, র্যাবের দেওয়া গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিকেলে বগুড়া সদরের বৃন্দাবন দক্ষিণ পাড়া এলাকায় ওই কারখানায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে দেখা যায়, কোনো ধরনের নিবন্ধন ছাড়াই সম্পূর্ণ অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে শুধু চিনি দিয়ে নকল তালমিছরি এবং বাতাসাসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী তৈরি করা হচ্ছে। কারখানার ভেতরে মাছি ও আরশোলাসহ বিভিন্ন পোকামাকড়ের উপস্থিতির মধ্যেই পুরোনো মিছরি গলিয়ে পুনরায় রিফাইন করা হচ্ছিল। এছাড়া ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা করে ভারতের দুলাল চন্দ্র ভড়ের নকল মোড়ক ব্যবহার করে এসব ভেজাল পণ্য বাজারে সরবরাহ করা হচ্
বগুড়া শহরের বৃন্দাবনপাড়া এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি করা হচ্ছিল ভারতের বিখ্যাত দুলাল চন্দ্র ভড়ের নকল তালমিছরি। এ অপরাধে ‘পূজা মিছরি ঘর’ নামের একটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসন, র্যাব-১২ ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহরাব হোসেন।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, র্যাবের দেওয়া গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিকেলে বগুড়া সদরের বৃন্দাবন দক্ষিণ পাড়া এলাকায় ওই কারখানায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে দেখা যায়, কোনো ধরনের নিবন্ধন ছাড়াই সম্পূর্ণ অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে শুধু চিনি দিয়ে নকল তালমিছরি এবং বাতাসাসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী তৈরি করা হচ্ছে। কারখানার ভেতরে মাছি ও আরশোলাসহ বিভিন্ন পোকামাকড়ের উপস্থিতির মধ্যেই পুরোনো মিছরি গলিয়ে পুনরায় রিফাইন করা হচ্ছিল। এছাড়া ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা করে ভারতের দুলাল চন্দ্র ভড়ের নকল মোড়ক ব্যবহার করে এসব ভেজাল পণ্য বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছিল।
অভিযান চলাকালে কারখানা থেকে প্রায় দুই ড্রাম ভেজাল মিছরি জব্দ করে জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়। এসময় অপরাধ স্বীকার করায় কারখানার মালিক সুমা সরকারকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
বগুড়া জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. রাসেল বলেন, ‘অত্যন্ত নোংরা পরিবেশে ক্ষতিকর উপাদান দিয়ে এই মিছরি তৈরি করা হচ্ছিল, যা মানবস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। ভোক্তার অধিকার লঙ্ঘনের দায়ে এই জরিমানা করা হয়েছে।’
এর আগে, চলতি বছরের ১১ মার্চ একই কারখানায় অভিযান চালিয়েছিলেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেসময় নিষিদ্ধ টেক্সটাইল রং ও রাসায়নিক হাইড্রোজ ব্যবহারের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল।
এলবি/এসআর
What's Your Reaction?
