ভারী বৃষ্টি আর কতদিন, কী বলছে আবহাওয়া অফিস
আগামী দুই থেকে তিন দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হলেও এরপর এ বছর আর উল্লেখযোগ্য ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদদের মতে, আগস্টের ৯ তারিখের পর থেকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা ধীরে ধীরে কমে আসবে এবং সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কেবল বিচ্ছিন্নভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে বর্ষা মৌসুমের মাঝামাঝি সময় চলছে। যদিও ঋতুচক্র অনুযায়ী আষাঢ় ও শ্রাবণকে বর্ষাকাল ধরা হয়, তবে আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসেবে জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চার মাসই বর্ষা মৌসুম। আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক বলেন, ‘আগামী দুই থেকে তিন দিন মোটামুটি সারা দেশেই বৃষ্টি হবে। এরপর বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অনেকটাই কমে যাবে। সে অনুযায়ী বলা যায়, আগস্টের ৯ তারিখ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য হারে বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা কম।’ তিনি আরও জানান, বর্তমানে সাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টির মতো পরিস্থিতি নেই। তাই অন্তত এখনই বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কাও দেখছেন না আবহাওয়াবিদরা। আবহাওয়া বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জুন ও জুলাই মাসে দেশে স্বাভাবিক পরিমাণ বৃষ্টিপা
আগামী দুই থেকে তিন দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হলেও এরপর এ বছর আর উল্লেখযোগ্য ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদদের মতে, আগস্টের ৯ তারিখের পর থেকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা ধীরে ধীরে কমে আসবে এবং সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কেবল বিচ্ছিন্নভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে বর্ষা মৌসুমের মাঝামাঝি সময় চলছে। যদিও ঋতুচক্র অনুযায়ী আষাঢ় ও শ্রাবণকে বর্ষাকাল ধরা হয়, তবে আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসেবে জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চার মাসই বর্ষা মৌসুম।
আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক বলেন, ‘আগামী দুই থেকে তিন দিন মোটামুটি সারা দেশেই বৃষ্টি হবে। এরপর বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অনেকটাই কমে যাবে। সে অনুযায়ী বলা যায়, আগস্টের ৯ তারিখ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য হারে বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা কম।’
তিনি আরও জানান, বর্তমানে সাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টির মতো পরিস্থিতি নেই। তাই অন্তত এখনই বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কাও দেখছেন না আবহাওয়াবিদরা।
আবহাওয়া বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জুন ও জুলাই মাসে দেশে স্বাভাবিক পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। তবে বর্ষার শেষভাগে বৃষ্টির পরিমাণ ধীরে ধীরে কমে আসবে।
এদিকে, তাপমাত্রা তুলনামূলক কম থাকলেও বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় গরমের অনুভূতি বেশি হচ্ছে। এ বিষয়ে একেএম নাজমুল হক বলেন, ‘বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকার কারণে প্রকৃত তাপমাত্রার তুলনায় মানুষের শরীরে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি গরম অনুভূত হয়। ঘাম সহজে শুকাতে না পারায় অস্বস্তিও বাড়ে।’
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগস্টের শেষ দিক থেকে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমতে শুরু করবে। এর ফলে গরমের তীব্রতা ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার অস্বস্তিও ধীরে ধীরে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
What's Your Reaction?