ভালুকায় গুড় উৎপাদনে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা
ময়মনসিংহের ভালুকায় আখ চাষ ও গুড় উৎপাদনে কর্মব্যস্ততায় প্রতিটি চাষির ক্ষেতে যেনো নতুন করে ফিরেছে প্রাণ। মৌসুমজুড়ে আখের রস জ্বালিয়ে উন্নতমানের গুড় তৈরি করে লাভবান হচ্ছেন এই এলাকার কৃষকরা। একই সাথে বহু বেকারের হচ্ছে কর্মসংস্থান। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে এসব গুড় এখন যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। জানা যায়, এক সময় আখ চাষে বিখ্যাত ছিল ময়মনসিংহের ভালুকা। কালের পরিক্রমায় কমে গেলেও আবারও প্রাণ ফিরে পাচ্ছে এ অঞ্চলের আখ ক্ষেত ও গুড় উৎপাদন। উপজেলার হবিরবাড়ী, মল্লিকবাড়ী, পাড়াগাঁও, আওলাতলী ও ডাকাতিয়া এলাকায় নতুন উদ্যমে শুরু হয়েছে আখ চাষ। চাষিদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা আখের রস জ্বালিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার কেজি গুড় উৎপাদন হচ্ছে। স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণ করে এসব গুড় এখন যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য মতে, উপজেলায় অন্তত ৫০টির মতো আখের মিল চালু রয়েছে। এসব মিলে প্রায় চার থেকে পাঁচ শতাধিক শ্রমিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। ভালুকা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান বলেন, আখ চাষে উৎসাহ দিতে সরকার প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে এবং স্থানীয় কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে মাঠ পর্যায়ে সব ধ
ময়মনসিংহের ভালুকায় আখ চাষ ও গুড় উৎপাদনে কর্মব্যস্ততায় প্রতিটি চাষির ক্ষেতে যেনো নতুন করে ফিরেছে প্রাণ। মৌসুমজুড়ে আখের রস জ্বালিয়ে উন্নতমানের গুড় তৈরি করে লাভবান হচ্ছেন এই এলাকার কৃষকরা। একই সাথে বহু বেকারের হচ্ছে কর্মসংস্থান। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে এসব গুড় এখন যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়।
জানা যায়, এক সময় আখ চাষে বিখ্যাত ছিল ময়মনসিংহের ভালুকা। কালের পরিক্রমায় কমে গেলেও আবারও প্রাণ ফিরে পাচ্ছে এ অঞ্চলের আখ ক্ষেত ও গুড় উৎপাদন। উপজেলার হবিরবাড়ী, মল্লিকবাড়ী, পাড়াগাঁও, আওলাতলী ও ডাকাতিয়া এলাকায় নতুন উদ্যমে শুরু হয়েছে আখ চাষ। চাষিদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা আখের রস জ্বালিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার কেজি গুড় উৎপাদন হচ্ছে। স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণ করে এসব গুড় এখন যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য মতে, উপজেলায় অন্তত ৫০টির মতো আখের মিল চালু রয়েছে।
এসব মিলে প্রায় চার থেকে পাঁচ শতাধিক শ্রমিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। ভালুকা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান বলেন, আখ চাষে উৎসাহ দিতে সরকার প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে এবং স্থানীয় কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে মাঠ পর্যায়ে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে। স্থানীয় চাষিরা জানান, সরকারি সহায়তা পেলে আখ চাষ ও গুড় উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে, হবে বহু বেকার মানুষের কর্মসংস্থান।
What's Your Reaction?