ভাড়া বাসায় মিলল আইসিটি কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা পরিষদের সহকারী প্রোগ্রামার (আইসিটি) ও মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মাহমুদুর রহমানের (৩৫) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৯ জুন) বেলার ১১টার দিকে জীবননগর শহরের বসুতিপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মাহমুদুর রহমান ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ঝিটকেপুতা গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। তিনি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে জীবননগর উপজেলা পরিষদে আইসিটি কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। চাকরির সুবাদে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে জীবননগর শহরের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে। খবর পেয়ে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, মাহমুদুর রহমান উপজেলা পরিষদের একজন শান্ত, ভদ্র ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ছিলেন। তার মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। নিহতের স্ত্রী ইতি খাতুন জানান, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মাঝে মধ্যে মনোমালিন্য হলেও পরে তা মিটে যেত। তিনি বর্তমানে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা। ঘটনার দি

ভাড়া বাসায় মিলল আইসিটি কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা পরিষদের সহকারী প্রোগ্রামার (আইসিটি) ও মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মাহমুদুর রহমানের (৩৫) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৯ জুন) বেলার ১১টার দিকে জীবননগর শহরের বসুতিপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত মাহমুদুর রহমান ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ঝিটকেপুতা গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। তিনি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে জীবননগর উপজেলা পরিষদে আইসিটি কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। চাকরির সুবাদে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে জীবননগর শহরের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

খবর পেয়ে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, মাহমুদুর রহমান উপজেলা পরিষদের একজন শান্ত, ভদ্র ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ছিলেন। তার মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।

নিহতের স্ত্রী ইতি খাতুন জানান, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মাঝে মধ্যে মনোমালিন্য হলেও পরে তা মিটে যেত। তিনি বর্তমানে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা। ঘটনার দিন সকালে স্বামীর সঙ্গে কোনো ঝগড়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, সকালে ছেলের জন্য জুস কিনতে বাজারে যান। ফিরে এসে ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পরও দরজা না খোলায় প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করলে মাহমুদুর রহমানকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

নিহতের বাবা আতাউর রহমান জানান, তার ছেলে ও পুত্রবধূর মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়াঝাঁটি ও মনোমালিন্য হতো। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মাহমুদুর রহমান তার মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং পরিবারের খোঁজখবর নেন। একপর্যায়ে হঠাৎ ফোন কেটে দেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তার মৃত্যুর খবর পান।

জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ থানায় নেওয়া হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow