ভিসানীতিতে পরিবর্তন, যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয়দের জন্য বড় ধাক্কা
এইচ-১বি ভিসায় বড় ধাক্কা খেয়েছেন ভারতীয়রা। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিকে সমর্থন করে টেক্সাস রাজ্য সরকার রাজ্যের অধীনস্থ সব সংস্থা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এইচ-১বি ভিসা আবেদন স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তার জারি করা এক সরকারি চিঠিতে বলা হয়েছে, এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির ফলে এমন বহু চাকরি বিদেশিদের হাতে যাচ্ছে, যেগুলো ‘আমেরিকানদের বিশেষ করে টেক্সানদের দ্বারা পূরণ করা উচিত ছিল। অ্যাবট লেখেন, বিশ্বের সেরা ও মেধাবীদের এনে প্রকৃত বিশেষায়িত ও অপূর্ণ কর্মসংস্থানের চাহিদা পূরণের বদলে এইচ-১বি প্রোগ্রামটি বহু ক্ষেত্রে এমন চাকরি পূরণে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা টেক্সাসের নাগরিকরাই করতে পারতেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির এই গভর্নর জানান, টেক্সাসকে ‘আমেরিকার সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি’ হিসেবে ধরে রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হিউস্টন ক্রনিকলের উদ্ধৃত ফেডারেল তথ্যে বলা হয়েছে, টেক্সাসে অধিকাংশ এইচ-১বি ভিসাধারী কাজ
এইচ-১বি ভিসায় বড় ধাক্কা খেয়েছেন ভারতীয়রা। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিকে সমর্থন করে টেক্সাস রাজ্য সরকার রাজ্যের অধীনস্থ সব সংস্থা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এইচ-১বি ভিসা আবেদন স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তার জারি করা এক সরকারি চিঠিতে বলা হয়েছে, এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির ফলে এমন বহু চাকরি বিদেশিদের হাতে যাচ্ছে, যেগুলো ‘আমেরিকানদের বিশেষ করে টেক্সানদের দ্বারা পূরণ করা উচিত ছিল।
অ্যাবট লেখেন, বিশ্বের সেরা ও মেধাবীদের এনে প্রকৃত বিশেষায়িত ও অপূর্ণ কর্মসংস্থানের চাহিদা পূরণের বদলে এইচ-১বি প্রোগ্রামটি বহু ক্ষেত্রে এমন চাকরি পূরণে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা টেক্সাসের নাগরিকরাই করতে পারতেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির এই গভর্নর জানান, টেক্সাসকে ‘আমেরিকার সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি’ হিসেবে ধরে রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
হিউস্টন ক্রনিকলের উদ্ধৃত ফেডারেল তথ্যে বলা হয়েছে, টেক্সাসে অধিকাংশ এইচ-১বি ভিসাধারী কাজ করেন বেসরকারি সংস্থায়। তবে সরকারি ক্ষেত্রে এই ভিসাধারীদের বড় অংশই কর্মরত রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল ও অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে।
নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, এই ভিসা স্থগিতাদেশ ৩১ মে ২০২৭ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। ফলে রাজ্যের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল ও বিভিন্ন সংস্থা সরাসরি প্রভাবিত হবে।
গভর্নর অ্যাবটের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, আগামী ২৭ মার্চের মধ্যে সব রাজ্য সংস্থাকে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেখানে ভিসা নবায়নের আবেদন সংখ্যা, আবেদনকারীদের দেশ, বর্তমান ভিসার মেয়াদসহ নানা তথ্য উল্লেখ করতে হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন ভারতীয়রা। পিউ রিসার্চ সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ৫ দশমিক ২ মিলিয়ন ভারতীয়ের মধ্যে প্রায় ৫ লাখ ৭০ হাজারই টেক্সাসে থাকেন। এছাড়াও নিউ জার্সিতে প্রায় ৪৪০ হাজার, নিউইয়র্কে ৩৯০ হাজার এবং ইলিনয়ে প্রায় ২৭০ হাজার ভারতীয় বসবাস করেন।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঘোষিত ট্রাম্পের ভিসা সংক্রান্ত কড়াকড়ি ভারতীয় সম্প্রদায়ের ওপর সবচেয়ে বড় প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মার্কিন পরিসংখ্যন ব্যুরোর ২০২৩ সালের হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের মধ্যে প্রায় ৬৬ শতাংশই ভারতীয়।
What's Your Reaction?