ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা, কেন্দ্র সচিবসহ ৩ জনকে বহিষ্কার
বরিশালের উজিরপুরে ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগে কেন্দ্র সচিবসহ দুই শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) উপজেলার হাবিবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব মো. ফারুক হোসেন ও সহকারী শিক্ষক খগেন মন্ডলকে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.আলী সুজা। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্রের পরিবর্তে ২০২৬ সালের নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের ফলাফল নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলা প্রশাসন তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পায়। পরে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র সচিব ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে এসএসসি পরীক্ষার সব দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয়। এ বিষয়ে ইউএনও মো. আলী সুজা বলেন, ‘পাবলিক পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত করে সত্যতা মিলেছে বলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’ উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এ ঘটনায় প্
বরিশালের উজিরপুরে ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগে কেন্দ্র সচিবসহ দুই শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) উপজেলার হাবিবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব মো. ফারুক হোসেন ও সহকারী শিক্ষক খগেন মন্ডলকে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.আলী সুজা।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্রের পরিবর্তে ২০২৬ সালের নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের ফলাফল নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলা প্রশাসন তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পায়। পরে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র সচিব ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে এসএসসি পরীক্ষার সব দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয়।
এ বিষয়ে ইউএনও মো. আলী সুজা বলেন, ‘পাবলিক পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত করে সত্যতা মিলেছে বলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কাছে সুপারিশ পাঠানো হবে।
What's Your Reaction?