ভৈরবে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অর্ধশতাধিক
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে একটি বাজারের নামকরণকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ৭টা থেকে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের মিরারচর-আকবরনগর এলাকায় এ সংঘর্ষ শুরু হয়। নিহত মাসুদ মিয়া (৩০) মিরারচর গ্রামের আসাদ মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশা চালক। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে অবস্থিত বাজারটি দীর্ঘদিন ধরে মিরারচর-আকবরনগর বাজার নামে পরিচিত। তবে বাজারটির নাম শুধু আকবরনগর অথবা শুধু মিরারচর রাখার দাবিতে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে অতীতেও কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি বিরোধ নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করে। স্থানীয়দের দাবি, রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম তার বাসভবনে উভয় পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করেন। সেখানে বিরোধ নিষ্পত্তির আশ্বাস দিয়ে দুই পক্ষ থেকে ১০ জন করে মোট ২০ জনের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে পরবর্তীতে বসার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু রাত পোহাতেই সোমবার সকালে দুই গ্রামের
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে একটি বাজারের নামকরণকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।
সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ৭টা থেকে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের মিরারচর-আকবরনগর এলাকায় এ সংঘর্ষ শুরু হয়। নিহত মাসুদ মিয়া (৩০) মিরারচর গ্রামের আসাদ মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশা চালক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে অবস্থিত বাজারটি দীর্ঘদিন ধরে মিরারচর-আকবরনগর বাজার নামে পরিচিত। তবে বাজারটির নাম শুধু আকবরনগর অথবা শুধু মিরারচর রাখার দাবিতে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে অতীতেও কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি বিরোধ নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করে।
স্থানীয়দের দাবি, রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম তার বাসভবনে উভয় পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করেন। সেখানে বিরোধ নিষ্পত্তির আশ্বাস দিয়ে দুই পক্ষ থেকে ১০ জন করে মোট ২০ জনের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে পরবর্তীতে বসার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু রাত পোহাতেই সোমবার সকালে দুই গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন মাসুদ মিয়া। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।
এদিকে সংঘর্ষের কারণে ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জগামী এগারসিন্দুর প্রভাতী ট্রেন প্রায় দুই ঘণ্টা ভৈরব রেলস্টেশনে আটকে থাকে। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে ট্রেনটি স্টেশন ছাড়ার প্রস্তুতি নেয় বলে স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আলম সরকার বলেন, গতকাল প্রতিমন্ত্রী দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু আজ সকালেই দুই গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রশাসন চেষ্টা করেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছে।
ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস বলেন, বাজারের নামকরণকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও র্যাব যৌথভাবে কাজ করছে।
What's Your Reaction?