ভয়ংকর হয়ে উঠছে ‘আরবান হিট আইল্যান্ড’
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভবিষ্যতে ঠান্ডা ও আরামদায়ক পরিবেশে বসবাস করা শুধু ধনী মানুষের জন্য সহজ হয়ে যেতে পারে।
বর্তমানে শহরগুলোতে কংক্রিটের ভবন, অ্যাসফল্টের রাস্তা, যানবাহনের ধোঁয়া এবং গাছপালার অভাবে গরম আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে। দিনের বেলায় এসব স্থাপনা তাপ শোষণ করে এবং রাতে সেই তাপ ছেড়ে দেয়। ফলে শহর দীর্ঘ সময় গরম থাকে। এটিকে বলা হয় ‘আরবান হিট আইল্যান্ড’ প্রভাব।
ইউরোপীয় কমিশনের ২০২৫ সালের জলবায়ু সহনশীলতা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপে জলবায়ুজনিত মৃত্যুর প্রায় ৯৫ শতাংশই অতিরিক্ত গরমের কারণে ঘটে। গত দুই দশকে তাপজনিত মৃত্যুহার প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে, যার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে ঘনবসতিপূর্ণ শহর এলাকায়।
ইউরোপীয় কমিশনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপে জলবায়ুজনিত মৃত্যুর বেশিরভাগই অতিরিক্ত গরমের কারণে হচ্ছে। গত ২০ বছরে তাপজনিত মৃত্যুর হারও বেড়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একই শহরে সবাই সমানভাবে গরমের প্রভাব ভোগ করেন না। যাদের বাড়িতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, সবুজ পরিবেশ ও ভালো বাসস্থান আছে তারা তুলনামূলক স্বস্তিতে থাকেন। কিন্তু নিম্নআয়ের মা
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভবিষ্যতে ঠান্ডা ও আরামদায়ক পরিবেশে বসবাস করা শুধু ধনী মানুষের জন্য সহজ হয়ে যেতে পারে।
বর্তমানে শহরগুলোতে কংক্রিটের ভবন, অ্যাসফল্টের রাস্তা, যানবাহনের ধোঁয়া এবং গাছপালার অভাবে গরম আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে। দিনের বেলায় এসব স্থাপনা তাপ শোষণ করে এবং রাতে সেই তাপ ছেড়ে দেয়। ফলে শহর দীর্ঘ সময় গরম থাকে। এটিকে বলা হয় ‘আরবান হিট আইল্যান্ড’ প্রভাব।
ইউরোপীয় কমিশনের ২০২৫ সালের জলবায়ু সহনশীলতা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপে জলবায়ুজনিত মৃত্যুর প্রায় ৯৫ শতাংশই অতিরিক্ত গরমের কারণে ঘটে। গত দুই দশকে তাপজনিত মৃত্যুহার প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে, যার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে ঘনবসতিপূর্ণ শহর এলাকায়।
ইউরোপীয় কমিশনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপে জলবায়ুজনিত মৃত্যুর বেশিরভাগই অতিরিক্ত গরমের কারণে হচ্ছে। গত ২০ বছরে তাপজনিত মৃত্যুর হারও বেড়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একই শহরে সবাই সমানভাবে গরমের প্রভাব ভোগ করেন না। যাদের বাড়িতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, সবুজ পরিবেশ ও ভালো বাসস্থান আছে তারা তুলনামূলক স্বস্তিতে থাকেন। কিন্তু নিম্নআয়ের মানুষদের অনেক সময় গাছহীন এলাকা, ছোট ঘর ও ছায়াহীন রাস্তায় থাকতে হয়।
ইতালির মিলান শহরে গবেষণায় দেখা গেছে, সবুজ এলাকা ও বেশি কংক্রিটঘেরা এলাকার মধ্যে তাপমাত্রার পার্থক্য প্রায় ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শহরকে বাসযোগ্য রাখতে আরও বেশি গাছ লাগানো, সবুজ ছাদ তৈরি, ছায়াযুক্ত বাসস্টপ নির্মাণ এবং জনসাধারণের জন্য শীতল আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করা প্রয়োজন।
তাদের মতে, ছায়া ও সবুজ পরিবেশ সৌন্দর্যের বিষয়। ভবিষ্যতে শহর পরিকল্পনায় মানুষের জীবন রক্ষায় এটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠবে।