মতলবে চাঁদাবাজি মামলায় ৩ জন কারাগারে
চাঁদপুরে চাঁদাবাজির মামলায় তিন জনকে ৫ বছর করে কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া ১০ হাজার টাকা জরিমানা; অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। একই মামলায় পৃথক ধারায় আরো এক বছরের কারাদন্ড প্রদান করা হয় আসামিদের। রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে চাঁদপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ (দ্বিতীয়) আদালত সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার চাঁদপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ (দ্বিতীয়) আদালত এর বিচারক মো. কামাল হোসাইন এই রায় দেন। মামলায় কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামি রা হলেন- মতলব দক্ষিণ উপজেলার কথিত সাংবাদিক মো. শফিকুল ইসলাম, মো. সোহেল সরকার ও মো. মাসুম সরকার। তাদের সকলের বাড়ি মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরে। মামলার বিবরণ থেকে জানাগেছে, শফিকুল ইসলাম চাঁদপুর জেলা সদর থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় কাজ করতেন। ২০২১ সালের ১৬ এপ্রিল ভোর রাতে মতলব উত্তর উপজেলার ঠেটালিয়া সোলেমানশাহ ফিলিং স্টেশনের সামনে তারা মতলব উত্তর উপজেলার আমিরাবাদ সওদাগর বাড়ির মাছ ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীরের কাছে ৫০হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। তাদের অভিযোগ ছিলো জাহাঙ্গীরের পিকআপে অবৈধ মাছ আছে। এই বলে তা্ জাহাঙ্গীরের মাছসহ পিকআপ ভ্যানের গতিরোধ করে। এস
চাঁদপুরে চাঁদাবাজির মামলায় তিন জনকে ৫ বছর করে কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া ১০ হাজার টাকা জরিমানা; অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। একই মামলায় পৃথক ধারায় আরো এক বছরের কারাদন্ড প্রদান করা হয় আসামিদের।
রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে চাঁদপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ (দ্বিতীয়) আদালত সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার চাঁদপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ (দ্বিতীয়) আদালত এর বিচারক মো. কামাল হোসাইন এই রায় দেন।
মামলায় কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামি রা হলেন- মতলব দক্ষিণ উপজেলার কথিত সাংবাদিক মো. শফিকুল ইসলাম, মো. সোহেল সরকার ও মো. মাসুম সরকার। তাদের সকলের বাড়ি মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরে।
মামলার বিবরণ থেকে জানাগেছে, শফিকুল ইসলাম চাঁদপুর জেলা সদর থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় কাজ করতেন। ২০২১ সালের ১৬ এপ্রিল ভোর রাতে মতলব উত্তর উপজেলার ঠেটালিয়া সোলেমানশাহ ফিলিং স্টেশনের সামনে তারা মতলব উত্তর উপজেলার আমিরাবাদ সওদাগর বাড়ির মাছ ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীরের কাছে ৫০হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। তাদের অভিযোগ ছিলো জাহাঙ্গীরের পিকআপে অবৈধ মাছ আছে। এই বলে তা্ জাহাঙ্গীরের মাছসহ পিকআপ ভ্যানের গতিরোধ করে। এসময় নিজেদেরকে সাংবাদিক ও আইনের লোক পরিচয় দিয়ে চাঁদা দাবি করে। এই ঘটনায় ওইদিনই মতলব উত্তর থানায় জাহাঙ্গীর নিজে বাদী হয়ে তিন আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মামলাটির তদন্ত করেন তৎকালীন মতলব উত্তর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল আউয়াল। তিনি মামলাটি তদন্ত করে ওই বছর ১৪ জুন আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। মামলাটি চলমান অবস্থায় আদালত ৯জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করেন। মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা, স্বাক্ষ্য প্রমাণ ও আসামীরা তাদের অপরাধ স্বীকার করায় বিচারক এই রায় দেন। রায়ের সময় আসামি মাসুম সরকার অনুপস্থিত ছিছেন।
What's Your Reaction?