মধ্যপ্রাচ্যগামী ২৬ ফ্লাইট বাতিল

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বেশ কয়েকটি দেশ তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। এই সিদ্ধান্তের সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের আকাশপথেও। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ২৬টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংকটে আজ পর্যন্ত বাতিল হওয়া মোট ফ্লাইটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১৪টিতে। আজকের বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে কুয়েতের জাজিরা এয়ারওয়েজের ৪টি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফ্লাই দুবাইয়ের ৪টি, এয়ার এরাবিয়ার ৬টি এবং এমিরেটস এয়ারলাইনসের ২টি ফ্লাইট রয়েছে। এছাড়া কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি এবং বাহরাইনের গালফ এয়ারের ২টি ফ্লাইটও উড্ডয়ন করতে পারেনি। যুদ্ধাবস্থার কারণে আকাশপথ ব্যবহারের অনুপযুক্ততা ও দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিধিনিষেধের ফলে একের পর এক ফ্লাইট বাতিলের এই ধারা অব্যাহত রয়েছে। বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি ফ্লাইট বাতিলের মাধ্যমে এই সংকটের শুরু হয়েছিল, যা

মধ্যপ্রাচ্যগামী ২৬ ফ্লাইট বাতিল

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বেশ কয়েকটি দেশ তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। এই সিদ্ধান্তের সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের আকাশপথেও।

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ২৬টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংকটে আজ পর্যন্ত বাতিল হওয়া মোট ফ্লাইটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১৪টিতে।

আজকের বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে কুয়েতের জাজিরা এয়ারওয়েজের ৪টি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফ্লাই দুবাইয়ের ৪টি, এয়ার এরাবিয়ার ৬টি এবং এমিরেটস এয়ারলাইনসের ২টি ফ্লাইট রয়েছে। এছাড়া কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি এবং বাহরাইনের গালফ এয়ারের ২টি ফ্লাইটও উড্ডয়ন করতে পারেনি।

যুদ্ধাবস্থার কারণে আকাশপথ ব্যবহারের অনুপযুক্ততা ও দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিধিনিষেধের ফলে একের পর এক ফ্লাইট বাতিলের এই ধারা অব্যাহত রয়েছে।

বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি ফ্লাইট বাতিলের মাধ্যমে এই সংকটের শুরু হয়েছিল, যা মার্চের প্রথম সপ্তাহে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের দেওয়া পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গত কয়েক সপ্তাহে নিয়মিত বিরতিতে ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা ২০ থেকে ৩০-এর ঘরে থাকছে। বিশেষ করে ১ থেকে ৩ মার্চের মধ্যে আকাশপথ বন্ধের প্রভাবে শতাধিক ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছিল।

মধ্যপ্রাচ্যের সাতটি দেশ—ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান—তাদের আকাশসীমা পুনরায় পুরোপুরি উন্মুক্ত না করা পর্যন্ত এই শিডিউল বিপর্যয় কাটছে না। এতে প্রবাসী শ্রমিকসহ অসংখ্য যাত্রী চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, যার সুরাহা নির্ভর করছে অঞ্চলের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow