মধ্যপ্রাচ্যে আবারও ড্রোন হামলা, নিশানা ইরানবিরোধী শিবির
মধ্যপ্রাচ্যে আবারও ড্রোন হামলা হয়েছে। এ হামলায় ইরানবিরোধী শিবিরকে নিশানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকের ইরবিল শহরের উত্তরে অবস্থিত একটি ইরানবিরোধী গোষ্ঠীর শিবিরে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। বুধবার নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়। সূত্রগুলো জানিয়েছে, হামলায় শিবিরের ভেতরে থাকা অস্ত্র ও গোলাবারুদের একটি গুদাম লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির অনিশ্চয়তা থাকলেও ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আক্রামিনিয়া। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পিছু হটার সুযোগ নেই। মাশহাদ শহর থেকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালির পশ্চিম অংশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ডের নৌ ইউনিট, আর পূর্ব অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে ইরানের নিয়মিত নৌবাহিনী। আক্রামিনিয়ার দাবি, ইরানের সামরিক বাহিনী শত্রুপক্ষকে তাদের কোনো লক্ষ্য অর্জন করতে দেয়নি। এই যুদ্ধের পর আর পি
মধ্যপ্রাচ্যে আবারও ড্রোন হামলা হয়েছে। এ হামলায় ইরানবিরোধী শিবিরকে নিশানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকের ইরবিল শহরের উত্তরে অবস্থিত একটি ইরানবিরোধী গোষ্ঠীর শিবিরে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। বুধবার নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, হামলায় শিবিরের ভেতরে থাকা অস্ত্র ও গোলাবারুদের একটি গুদাম লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির অনিশ্চয়তা থাকলেও ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আক্রামিনিয়া। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পিছু হটার সুযোগ নেই।
মাশহাদ শহর থেকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালির পশ্চিম অংশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ডের নৌ ইউনিট, আর পূর্ব অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে ইরানের নিয়মিত নৌবাহিনী।
আক্রামিনিয়ার দাবি, ইরানের সামরিক বাহিনী শত্রুপক্ষকে তাদের কোনো লক্ষ্য অর্জন করতে দেয়নি। এই যুদ্ধের পর আর পিছু হটার কোনো সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, যুদ্ধ চলাকালে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে। তবে কোন কোন ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, নতুন করে কোনো অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জাম হরমুজ প্রণালি দিয়ে পার হতে দেওয়া হবে না।
What's Your Reaction?