মধ্যপ্রাচ্যের সর্বোচ্চ সেতুতে যৌথ হামলা
ইরানের তেহরান-কারাজ সেতুতে হামলা হয়েছে। সেতুটি ‘মধ্যপ্রাচ্যের সর্বোচ্চ সেতু’ হিসেবে পরিচিত। বৃহস্পতিবার ইরানের সংবাদ সংস্থা ফার্স এ তথ্য জানায়। পরে আলজাজিরার প্রতিবেদনে তথ্যটি উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানী তেহরান থেকে কারাজ শহরের পথে ‘মধ্যপ্রাচ্যের সর্বোচ্চ সেতু’ হিসেবে পরিচিত একটি সেতুতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। যৌথ এ হামলায় গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে অবস্থিত ওই সেতু ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হামলায় অনেকে আহত হয়েছেন।
অসমর্থিত একটি সূত্র দুজন নিহতের তথ্য দিয়েছে। তবে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে সৌদি আরবে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। একই সময় আত্মঘাতি ড্রোনও আঘাত হানে। তবে সেসব লক্ষ্যবস্তুতে ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর আগেই ভূপাতিতের দাবি করেছে সৌদি সরকার।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিবিসির খবরে বলা হয়, দুপুরে দেশটির আকাশসীমায় বেশকিছু ড্রোন, চারটি অজ্ঞাত আকাশযান এবং একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত ও ধ্বংস করা হয়েছে। সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বিবিসিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্
ইরানের তেহরান-কারাজ সেতুতে হামলা হয়েছে। সেতুটি ‘মধ্যপ্রাচ্যের সর্বোচ্চ সেতু’ হিসেবে পরিচিত। বৃহস্পতিবার ইরানের সংবাদ সংস্থা ফার্স এ তথ্য জানায়। পরে আলজাজিরার প্রতিবেদনে তথ্যটি উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানী তেহরান থেকে কারাজ শহরের পথে ‘মধ্যপ্রাচ্যের সর্বোচ্চ সেতু’ হিসেবে পরিচিত একটি সেতুতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। যৌথ এ হামলায় গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে অবস্থিত ওই সেতু ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হামলায় অনেকে আহত হয়েছেন।
অসমর্থিত একটি সূত্র দুজন নিহতের তথ্য দিয়েছে। তবে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে সৌদি আরবে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। একই সময় আত্মঘাতি ড্রোনও আঘাত হানে। তবে সেসব লক্ষ্যবস্তুতে ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর আগেই ভূপাতিতের দাবি করেছে সৌদি সরকার।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিবিসির খবরে বলা হয়, দুপুরে দেশটির আকাশসীমায় বেশকিছু ড্রোন, চারটি অজ্ঞাত আকাশযান এবং একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত ও ধ্বংস করা হয়েছে। সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বিবিসিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে এসব ধ্বংস করা হয়েছে। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের দিকে আসছিল। তাতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।