মরদেহের পাশে চিরকুটে লেখা ছিল ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়’

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় চিরকুট লিখে মো. হাসান (৩৫) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা যায়। ঘটনাস্থলে পাওয়া একটি চিরকুটে লেখা, ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।’ মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা ১১টার দিকে খবর পেয়ে দীঘিনালা থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেন। নিহত মো. হাসান বোয়ালখালী ইউনিয়নের মো. সাইদুল ইসলামের ছেলে। জানা যায়, হাসান দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা সেবন ও মাদক ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। এ কারণে কয়েক মাস আগে জেলও খাটেন। কারামুক্ত হওয়ার পরও পুনরায় মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন বলে দাবি স্থানীয়দের। এছাড়া মাদকাসক্তির কারণে প্রায়ই স্ত্রীকে নির্যাতন করতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। নিহতের খালাতো ভাই মো. মাসুদ জানান, হাসান সোমবার বিকেলে স্ত্রীকে মারধর করেন। এরপর বাড়ি থেকে বের হয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন। মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে ফোন করলে ধরেনি। পরে পরিবারের কাছ থেকে জানতে পারি ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। নিহতের স্ত্রী খোদেজা বেগম বলেন, ‘কিছুদিন ধরে মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ায় সংসারে অশান্তি বেড়ে যায়। নিয়মিত কাজ করতো, সংসারে খরচও দিতো না। প্রায়ই আমাকে মারধর করতো। সোমবার বিকেলে মারধরের করলে আমি আত্মীয়ের

মরদেহের পাশে চিরকুটে লেখা ছিল ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়’

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় চিরকুট লিখে মো. হাসান (৩৫) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা যায়। ঘটনাস্থলে পাওয়া একটি চিরকুটে লেখা, ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।’

মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা ১১টার দিকে খবর পেয়ে দীঘিনালা থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেন। নিহত মো. হাসান বোয়ালখালী ইউনিয়নের মো. সাইদুল ইসলামের ছেলে।

জানা যায়, হাসান দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা সেবন ও মাদক ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। এ কারণে কয়েক মাস আগে জেলও খাটেন। কারামুক্ত হওয়ার পরও পুনরায় মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন বলে দাবি স্থানীয়দের। এছাড়া মাদকাসক্তির কারণে প্রায়ই স্ত্রীকে নির্যাতন করতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নিহতের খালাতো ভাই মো. মাসুদ জানান, হাসান সোমবার বিকেলে স্ত্রীকে মারধর করেন। এরপর বাড়ি থেকে বের হয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন। মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে ফোন করলে ধরেনি। পরে পরিবারের কাছ থেকে জানতে পারি ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

নিহতের স্ত্রী খোদেজা বেগম বলেন, ‘কিছুদিন ধরে মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ায় সংসারে অশান্তি বেড়ে যায়। নিয়মিত কাজ করতো, সংসারে খরচও দিতো না। প্রায়ই আমাকে মারধর করতো। সোমবার বিকেলে মারধরের করলে আমি আত্মীয়ের বাড়িতে চলে যাই। এসময় সে বাড়িতে একাই ছিল। সকালে ফিরে এসে দরজা বন্ধ দেখতে পাই। অনেক ডাকাডাকির পরও সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখি।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য দিল মোহাম্মদ বলেন, ‘হাসান দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। জেল থেকে বের হওয়ার পরও নিজেকে সংশোধন করতে পারেনি। মাদকাসক্ত অবস্থায় তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।‘

দীঘিনালা থানার এসআই (উপ পরিদর্শক) প্রাণতোষ বণিক বলেন, ‘প্রতিবেশীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে একটি চিরকুট ও একটি মোবাইল পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

প্রবীর সুমন/এএইচ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow