মাংস ভাগাভাগি নিয়ে দুপক্ষের তুমুল সংঘর্ষ-গোলাগুলি

নড়াইলের কালিয়ায় এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় উভয় পক্ষের ২৫ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (২৩ মার্চ) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের নোয়াগ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নোয়াগ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শেখ ও মোল্যা বংশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছিল। এলাকায় শেখ বংশের নেতৃত্বে রয়েছেন মাহবুবুর রহমান শেখ ও ইসরাইল শেখ এবং মোল্যা বংশের নেতৃত্বে আছেন খায়রুল মোল্যা।  গত শনিবার ঈদের দিন মাংস ভাগাভাগি করে নেয় শেখ বংশের লোকজন। মোল্যা বংশের সমর্থক সালমানকে মাংসের ভাগ না দেওয়া নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা হয় প্রতিপক্ষের সঙ্গে। এ ঘটনার জেরে সোমবার রাতে দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায় দুপক্ষ। এ সময় শটগানের গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটে।   সংঘর্ষে মোল্যা বংশের মাহাবুর মোল্যা (৪০), রমজান মোল্যা (৫৫), মিন্টু মোল্যা (৫২), নাহিদ মোল্যা (২১), টুটুল মোল্যা (৩০), শাহীদুল মোল্যা (৪৮), রাজা মোল্যা (৫০), বাঁধন মোল্যা (২৬), তামিম মোল্যা (১৯), সুমন মোল্যা (২৮) এবং শেখ বংশের

মাংস ভাগাভাগি নিয়ে দুপক্ষের তুমুল সংঘর্ষ-গোলাগুলি
নড়াইলের কালিয়ায় এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় উভয় পক্ষের ২৫ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (২৩ মার্চ) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের নোয়াগ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নোয়াগ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শেখ ও মোল্যা বংশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছিল। এলাকায় শেখ বংশের নেতৃত্বে রয়েছেন মাহবুবুর রহমান শেখ ও ইসরাইল শেখ এবং মোল্যা বংশের নেতৃত্বে আছেন খায়রুল মোল্যা।  গত শনিবার ঈদের দিন মাংস ভাগাভাগি করে নেয় শেখ বংশের লোকজন। মোল্যা বংশের সমর্থক সালমানকে মাংসের ভাগ না দেওয়া নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা হয় প্রতিপক্ষের সঙ্গে। এ ঘটনার জেরে সোমবার রাতে দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায় দুপক্ষ। এ সময় শটগানের গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটে।   সংঘর্ষে মোল্যা বংশের মাহাবুর মোল্যা (৪০), রমজান মোল্যা (৫৫), মিন্টু মোল্যা (৫২), নাহিদ মোল্যা (২১), টুটুল মোল্যা (৩০), শাহীদুল মোল্যা (৪৮), রাজা মোল্যা (৫০), বাঁধন মোল্যা (২৬), তামিম মোল্যা (১৯), সুমন মোল্যা (২৮) এবং শেখ বংশের জরিপ শেখসহ (৫০) উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। আহতরা বর্তমানে নড়াইল জেলা হাসপাতাল ও খুলনার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নড়াইল জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক অলোক কুমার বাগচী বলেন, কালিয়ায় সংঘর্ষের ঘটনায় ১৪ জন জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের শরীরে ছররা গুলির অংশ পাওয়া গেছে। আমরা তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়েছি, বর্তমানে প্রত্যেকেই আশঙ্কামুক্ত।   নড়াইল জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল) রবিন হালদার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিবেশ শান্ত রয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow