মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশকে বেধড়ক মারধর

যশোরের কেশবপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে মব তৈরি করে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে এক সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।  বুধবার (১ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের হিজলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম। আহতরা হলেন- কেশবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসমত আলী (৫৪), কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও কনস্টেবল হাবিবুল্লাহ (৩০)। তাদের মধ্যে কনস্টেবল শহিদুল ইসলামকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য দুই পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। পুলিশ জানায়, তিনটি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) কে গ্রেপ্তারে ওই রাতে হিজলডাঙ্গা গ্রামে অভিযান চালায় কেশবপুর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর আসামিকে নিয়ে ফেরার পথে হঠাৎ মসজিদের মাইকে ‘পুলিশ আসামিকে মেরে ফেলেছে’ এমন মিথ্যা ঘোষণা দেওয়া হয়। এ ঘোষণার পরপরই ৫০ থেকে ৬০ জন লোক জড়ো হয়ে মব সৃষ্টি করে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা পুলিশের কাছ থেকে আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে ছিনিয়ে নেয়। আহত কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম জানান, ‘আসামিকে আটকের পর হঠাৎ লোকজন হা

মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশকে বেধড়ক মারধর
যশোরের কেশবপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে মব তৈরি করে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে এক সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।  বুধবার (১ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের হিজলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম। আহতরা হলেন- কেশবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসমত আলী (৫৪), কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও কনস্টেবল হাবিবুল্লাহ (৩০)। তাদের মধ্যে কনস্টেবল শহিদুল ইসলামকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য দুই পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। পুলিশ জানায়, তিনটি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) কে গ্রেপ্তারে ওই রাতে হিজলডাঙ্গা গ্রামে অভিযান চালায় কেশবপুর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর আসামিকে নিয়ে ফেরার পথে হঠাৎ মসজিদের মাইকে ‘পুলিশ আসামিকে মেরে ফেলেছে’ এমন মিথ্যা ঘোষণা দেওয়া হয়। এ ঘোষণার পরপরই ৫০ থেকে ৬০ জন লোক জড়ো হয়ে মব সৃষ্টি করে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা পুলিশের কাছ থেকে আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে ছিনিয়ে নেয়। আহত কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম জানান, ‘আসামিকে আটকের পর হঠাৎ লোকজন হামলা চালায়। মারধরের একপর্যায়ে আসামিও মাথা দিয়ে আঘাত করে। পরে হামলাকারীরা তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।’ কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে পরিকল্পিতভাবে মব তৈরি করে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এতে তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।’ তিনি আরও জানান, ঘটনার পর বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান চালিয়ে সীমান্ত এলাকা থেকে পলাতক আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow