মাগুরায় কোরবানির জন্য চাহিদার তুলনায় বেশি ১৪ হাজার পশু
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন মাগুরার খামারিরা। বিভিন্ন খামারে চলছে গবাদিপশু পরিচর্যা ও বাজারজাতের শেষ প্রস্তুতি। এবার জেলায় চাহিদার তুলনায় ১৪ হাজার বেশি পশু আছে বলে জানিয়েছেন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মিহির কান্তি বিশ্বাস। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জেলার বিভিন্ন খামারে দেখা যায়, খামারিরা কোরবানির পশু মোটাতাজাকরণ ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। কেউ গরুকে গোসল করাচ্ছেন, কেউ খাবার দিচ্ছেন আবার কেউ খাবার প্রস্তুত করছেন। সারা বছর লালন-পালন করা পশুগুলোকে ঈদ উপলক্ষে বিক্রির আশায় প্রস্তুত করা হচ্ছে। অনেকেই দেশীয় পদ্ধতিতে প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে পশু মোটাতাজা করছেন। খামারি মো. খায়রুজ্জামান সবুজ বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর গো- খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় খরচও অনেক বেড়েছে, তবে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে পশু আমদানি না হলে ভালো দামের পাশাপাশি খামারিরা লাভবান হবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন খামারিরা। আরেক খামারি শাহরিয়ার সিজান বলছেন, আমরা সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার দিয়ে গরুগুলো বড় করেছি৷ কোন প্রকার রাসায়নিক বা ইনজেকশনের সহোযোগিতা নেইনি, খামারিরা যদি ঠিক দাম পায় তাহলে লাভের মুখ দেখতে প
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন মাগুরার খামারিরা। বিভিন্ন খামারে চলছে গবাদিপশু পরিচর্যা ও বাজারজাতের শেষ প্রস্তুতি। এবার জেলায় চাহিদার তুলনায় ১৪ হাজার বেশি পশু আছে বলে জানিয়েছেন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মিহির কান্তি বিশ্বাস।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জেলার বিভিন্ন খামারে দেখা যায়, খামারিরা কোরবানির পশু মোটাতাজাকরণ ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। কেউ গরুকে গোসল করাচ্ছেন, কেউ খাবার দিচ্ছেন আবার কেউ খাবার প্রস্তুত করছেন।
সারা বছর লালন-পালন করা পশুগুলোকে ঈদ উপলক্ষে বিক্রির আশায় প্রস্তুত করা হচ্ছে। অনেকেই দেশীয় পদ্ধতিতে প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে পশু মোটাতাজা করছেন।
খামারি মো. খায়রুজ্জামান সবুজ বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর গো- খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় খরচও অনেক বেড়েছে, তবে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে পশু আমদানি না হলে ভালো দামের পাশাপাশি খামারিরা লাভবান হবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন খামারিরা।
আরেক খামারি শাহরিয়ার সিজান বলছেন, আমরা সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার দিয়ে গরুগুলো বড় করেছি৷ কোন প্রকার রাসায়নিক বা ইনজেকশনের সহোযোগিতা নেইনি, খামারিরা যদি ঠিক দাম পায় তাহলে লাভের মুখ দেখতে পাবো।
জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ বলছে, এবার জেলায় কোরবানির চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত পশু প্রস্তুত রয়েছে। খামারিদের পরামর্শ ও চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে নিয়মিত।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মিহির কান্তি বিশ্বাস জানান, খামারিদের নিরাপদ ও প্রাকৃতিক উপায়ে পশু মোটাতাজাকরণে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে মাগুরাতে গরু কোরবানির চাহিদা রয়েছে ৬২ হাজার ৫০৮টি, চাহিদার তুলনায় প্রস্তুত রয়েছে ৭৬ হাজার ৯৭৪টি পশু। চাহিদার তুলনায় ১৪ হাজার পশু অতিরিক্ত থাকায় দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহের কথা জানান জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।
এবারের ঈদে পশুর ন্যায্য দাম পেলে দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের সুফল মিলবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন জেলার খামারিরা।
মো. মিনারুল ইসলাম জুয়েল/এনএইচআর/এমএস
What's Your Reaction?