মাছ ধরতে গিয়ে ভেসে যান ভারতে, ২০ দিন পর দেশে এলো মরদেহ
দিনাজপুরের বিরলে সীমান্তের কাছে পুনর্ভবা নদীতে মাছ ধরতে নেমে নিখোঁজ হন ইসমাইল হক (৬৫) নামের এক ব্যক্তি। পরে ভারতীয় পুলিশ ওই নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনার ২০ দিন পর হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ওই ব্যক্তির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বুধবার (২০ মে) দুপুর দেড়টায় ভারতের হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিশিত লাহা এবং বাংলাদেশের হাকিমপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান ও হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবু তালেবের উপস্থিতিতে মরদেহটি তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর হয়। ইসমাইলের বাড়ি দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা কামদেবপুর গ্রামে। তিনি ওই এলাকার মৃত মনসুর আলীর ছেলে। তার তিন মেয়ে ও দুই ছেলে রয়েছে। তিনি নদীতে মাছ ধরেই জীবিকা নির্বাহ করতেন। গত ১ মে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হন। নিহতের ছেলে হায়দার আলী বলেন, ‘১ মে বিকেল ৩টায় ফিকা জাল (ঝাই জাল) নিয়ে বাবা পুনর্ভবা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। পরে তিনি আর ফিরে আসেননি। অনেক রাত পর্যন্ত খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে পরদিন বিরল থানায় সাধারণ ডাযয়েরি (জিডি) করি। একই দিন বিকেলে ফায়া
দিনাজপুরের বিরলে সীমান্তের কাছে পুনর্ভবা নদীতে মাছ ধরতে নেমে নিখোঁজ হন ইসমাইল হক (৬৫) নামের এক ব্যক্তি। পরে ভারতীয় পুলিশ ওই নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনার ২০ দিন পর হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ওই ব্যক্তির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বুধবার (২০ মে) দুপুর দেড়টায় ভারতের হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিশিত লাহা এবং বাংলাদেশের হাকিমপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান ও হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবু তালেবের উপস্থিতিতে মরদেহটি তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর হয়।
ইসমাইলের বাড়ি দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা কামদেবপুর গ্রামে। তিনি ওই এলাকার মৃত মনসুর আলীর ছেলে। তার তিন মেয়ে ও দুই ছেলে রয়েছে। তিনি নদীতে মাছ ধরেই জীবিকা নির্বাহ করতেন। গত ১ মে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হন।
নিহতের ছেলে হায়দার আলী বলেন, ‘১ মে বিকেল ৩টায় ফিকা জাল (ঝাই জাল) নিয়ে বাবা পুনর্ভবা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। পরে তিনি আর ফিরে আসেননি। অনেক রাত পর্যন্ত খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে পরদিন বিরল থানায় সাধারণ ডাযয়েরি (জিডি) করি। একই দিন বিকেলে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদীতে খোঁজ করেও ব্যর্থ হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘পরদিন ভারতীয় টেলিভিশনে প্রচারিত নিহতের সংবাদটি সীমান্ত-সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের জয়দেবপুর গ্রামের বাসিন্দা আরমান তার ফেসবুকে প্রচার করেন। সংবাদটি জয়দেবপুরে থাকা আমাদের আত্মীয় এনামুল হকের নজরে আসে। পরে তিনি ভারতের গঙ্গারামপুর থানায় গিয়ে ইসমাইলের মরদেহ শনাক্ত করেন।’
ছেলে হায়দার আলী বলেন, ‘কামদেবপুরের লালমাটিয়া স্লুইসগেটের কাছে মাছ মারছিলেন বাবা। সেখান থেকে প্রায় চার কিলোমিটার পরে ভারতে ঢুকেছে পুনর্ভবা নদী। গেটের কপাট (স্লুইসগেট) খুলে দেওয়ায় হয়তো বাবা ভেসে গেছে।’
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবু তালেব বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মো. মাহাবুর রহমান/এসআর/এএসএম
What's Your Reaction?