মাছের ঘেরে যুবকের মরদেহ, হত্যার অভিযোগ পরিবারের
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে সনজিব সরকার নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (০১ জুলাই) ভোরে উপজেলার ঠেকরা-দক্ষিণশ্রীপুর খেজুরতলা সড়কের বড় খালের মাথা সংলগ্ন একটি মাছের ঘের থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত সনজিব সরকার (৩০) উপজেলার ঠেকরা রহিমপুর গ্রামের গোপাল চন্দ্র সরকারের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত প্রায় ৮টার দিকে সনজিব সরকার তার বাবার সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হন। পরে রাত প্রায় ১০টার দিকে তার বাবা বাড়িতে ফিরে এলেও সনজিব আর ফেরেননি। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তার কোনো খোঁজ না মেলায় পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে গভীর রাতে স্থানীয়রা তার নিজস্ব মাছের ঘেরে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পরিবারকে বিষয়টি জানান।
নিহতের পরিবারের দাবি, এটি কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু নয়; বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তাদের অভিযোগ, দুর্বৃত্তরা অন্যত্র সনজিবকে হত্যা করে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে রাতের অন্ধকারে তার মরদেহ নিজস্ব মাছের ঘেরের সামনে ফেলে রেখে যায়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এ
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে সনজিব সরকার নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (০১ জুলাই) ভোরে উপজেলার ঠেকরা-দক্ষিণশ্রীপুর খেজুরতলা সড়কের বড় খালের মাথা সংলগ্ন একটি মাছের ঘের থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত সনজিব সরকার (৩০) উপজেলার ঠেকরা রহিমপুর গ্রামের গোপাল চন্দ্র সরকারের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত প্রায় ৮টার দিকে সনজিব সরকার তার বাবার সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হন। পরে রাত প্রায় ১০টার দিকে তার বাবা বাড়িতে ফিরে এলেও সনজিব আর ফেরেননি। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তার কোনো খোঁজ না মেলায় পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে গভীর রাতে স্থানীয়রা তার নিজস্ব মাছের ঘেরে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পরিবারকে বিষয়টি জানান।
নিহতের পরিবারের দাবি, এটি কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু নয়; বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তাদের অভিযোগ, দুর্বৃত্তরা অন্যত্র সনজিবকে হত্যা করে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে রাতের অন্ধকারে তার মরদেহ নিজস্ব মাছের ঘেরের সামনে ফেলে রেখে যায়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সনজিবের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। তাই তারা নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন।
কালিগঞ্জ থানার ওসি শহীদুল ইসলাম বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।