মাদককারবারির বিরুদ্ধে মাইকিং করায় প্রবাসীকে কুপিয়ে জখম

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মাদক কারবার ও সেবনের বিরুদ্ধে মাইকিং করে জনসচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়ায় সোলায়মান খান নামে এক প্রবাসীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে।  মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের কলেজ রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মানিক মেম্বার, ফয়সাল, রিফাত, রিমনসহ ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ করেছেন আহত ব্যক্তি ও স্বজনরা। তবে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মানিক মেম্বার। আহত সোলায়মান খান বলেন, কয়েক দিন আগে আমি এলাকায় মাইকিং করে মাদক কারবার ও সেবনের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের সচেতন করি। পাশাপাশি ফেসবুক লাইভেও মাদক বিক্রির স্থানগুলোতে গিয়ে মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের সতর্ক করা হয়। এরপর থেকেই একটি পক্ষ আমার ওপর ক্ষুব্ধ ছিল। তিনি আরও বলেন, মঙ্গলবার রাতে কলেজ রোড এলাকায় পানি খাওয়ার জন্য বের হলে হঠাৎ ৮-১০ জনের একটি দল আমার ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যায়। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। আহতের ভাই রাকিব খান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলার পর থেকেই ভাইকে বিভিন্নভাবে হুমকি

মাদককারবারির বিরুদ্ধে মাইকিং করায় প্রবাসীকে কুপিয়ে জখম

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মাদক কারবার ও সেবনের বিরুদ্ধে মাইকিং করে জনসচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়ায় সোলায়মান খান নামে এক প্রবাসীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। 

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের কলেজ রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মানিক মেম্বার, ফয়সাল, রিফাত, রিমনসহ ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ করেছেন আহত ব্যক্তি ও স্বজনরা। তবে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মানিক মেম্বার।

আহত সোলায়মান খান বলেন, কয়েক দিন আগে আমি এলাকায় মাইকিং করে মাদক কারবার ও সেবনের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের সচেতন করি। পাশাপাশি ফেসবুক লাইভেও মাদক বিক্রির স্থানগুলোতে গিয়ে মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের সতর্ক করা হয়। এরপর থেকেই একটি পক্ষ আমার ওপর ক্ষুব্ধ ছিল।

তিনি আরও বলেন, মঙ্গলবার রাতে কলেজ রোড এলাকায় পানি খাওয়ার জন্য বের হলে হঠাৎ ৮-১০ জনের একটি দল আমার ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যায়। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

আহতের ভাই রাকিব খান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলার পর থেকেই ভাইকে বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সুযোগ বুঝে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।

তবে মারামারির ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করে মানিক মেম্বার বলেন, মারামারির ঘটনায় আমি কোনোভাবেই জড়িত নই। আমি নিজেও মাদক কারবা ও সেবনের বিরুদ্ধে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাই। মাদক কারবারের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।

গজারিয়া থানার ওসি (তদন্ত) সাব্বির হোসেন বলেন, ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow