মাদকমুক্ত সমাজ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিই প্রধান লক্ষ্য তরুণ এমপি রাহাদের
উপকূলীয় জেলা বাগেরহাট যুগ যুগ ধরে অবহেলিত। বিভিন্ন সময় জনপ্রতিনিধিরা নানান প্রতিশ্রুতি দিলেও আশানুরূপ উন্নয়ন হয়নি এ জেলার। জেলার ৪টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় জর্জরিত বাগেরহাট সদর ও কচুয়া নিয়ে গঠিত বাগেরহাট-২ আসন। মাদকের ছড়াছড়ি, তীব্র বেকার সমস্যা, নাজুক যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য, শিক্ষায় পিছিয়ে থাকা এই এলাকার ভোটাররা তাদের কাণ্ডারি হিসেবে বেছে নিয়েছেন তরুণ নেতা মনজুরুল হক রাহাদকে। জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এই সংসদ সদস্যের সঙ্গে তার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবায়ন ভাবনা নিয়ে কথা বলেছে জাগো নিউজ। বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ বলেন, বাগেরহাটে নির্বাচনের আগে একজন প্রার্থী হিসেবে আমি অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। সেই প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ করার জন্য আমি অঙ্গীকারবদ্ধ। প্রথমত মাদকমুক্ত ও বেকারত্ব দূর করতে চাই। বাগেরহাটকে মাদকমুক্ত ও বেকারত্ব দূর করতে চাই। যে মাদকের জন্য যুব সমাজ আজ ধ্বংসের পথে। যেখানেই যাই সেখানে মাদক আর মাদক। এটা নির্মূল করা বড় একটা চ্যালেঞ্জ। তাই চ্যালেঞ্জ দিয়েই কাজটা শুরু করতে চাই। সমাজ থেকে মাদক ব্যবসায়ী, মাদক কারবারি, মাদক সেবনকারী ও মাদকের সঙ্গে
উপকূলীয় জেলা বাগেরহাট যুগ যুগ ধরে অবহেলিত। বিভিন্ন সময় জনপ্রতিনিধিরা নানান প্রতিশ্রুতি দিলেও আশানুরূপ উন্নয়ন হয়নি এ জেলার। জেলার ৪টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় জর্জরিত বাগেরহাট সদর ও কচুয়া নিয়ে গঠিত বাগেরহাট-২ আসন। মাদকের ছড়াছড়ি, তীব্র বেকার সমস্যা, নাজুক যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য, শিক্ষায় পিছিয়ে থাকা এই এলাকার ভোটাররা তাদের কাণ্ডারি হিসেবে বেছে নিয়েছেন তরুণ নেতা মনজুরুল হক রাহাদকে। জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এই সংসদ সদস্যের সঙ্গে তার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবায়ন ভাবনা নিয়ে কথা বলেছে জাগো নিউজ।
বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ বলেন, বাগেরহাটে নির্বাচনের আগে একজন প্রার্থী হিসেবে আমি অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। সেই প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ করার জন্য আমি অঙ্গীকারবদ্ধ।
প্রথমত মাদকমুক্ত ও বেকারত্ব দূর করতে চাই। বাগেরহাটকে মাদকমুক্ত ও বেকারত্ব দূর করতে চাই। যে মাদকের জন্য যুব সমাজ আজ ধ্বংসের পথে। যেখানেই যাই সেখানে মাদক আর মাদক। এটা নির্মূল করা বড় একটা চ্যালেঞ্জ। তাই চ্যালেঞ্জ দিয়েই কাজটা শুরু করতে চাই। সমাজ থেকে মাদক ব্যবসায়ী, মাদক কারবারি, মাদক সেবনকারী ও মাদকের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের প্রথমে সংশোধনের আওতায় আনতে চাই। সংশোধন না হলে অবশ্যই আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রশাসনের সঙ্গে এরই মধ্যে কথা হয়েছে। তারা মাদকের ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
এছাড়া বাগেরহাটে বেকারত্ব সমস্যা মারাত্মক। বেকারত্বের কারণে মানুষ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ে। তাই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে বেকারত্ব দূর করতে চাই। বেকারত্ব দূর করার জন্য এরই মধ্যে আমরা ক্ষুদ্র ও বৃহৎ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, যারা আগে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার জন্য বিনিয়োগ করতে চাইতো না তাদের আশ্বস্ত করেছি। তারা বাগেরহাটে বিনিয়োগ করবে, ফ্যাক্টরি করবে ও প্রতিষ্ঠান গড়বে। আমরাও রাষ্ট্রীয়ভাবে বিনিয়োগের মাধ্যমে কিছু কল-কারখানা করতে চাই যাতে বেকার সমস্যার সমাধান হয়। এই বেকার যুবকদের কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করে তাদের হাতে কাজ তুলে দিতে চাই।
দ্বিতীয়ত অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে বাগেরহাটবাসীর জীবনযাত্রার মান বাড়াতে চাই। বাগেরহাটে অবকাঠামোগত দিক থেকে বিগত ১৭ বছরে তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। এই উন্নয়নের ছোঁয়া লাগাতে চাই। প্রত্যেকটি জায়গায় অনুন্নত ও ভঙ্গুর অবস্থা, এটিকে মেরামত ও নতুন করে কাজ করে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চাই। পাশাপাশি বাগেরহাটের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য তাদেরকে সেভাবে গড়তে চাই।
তৃতীয়ত শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে চাই। বাগেরহাটে শিক্ষার জন্য যে ধরনের প্রতিষ্ঠান থাকার কথা ছিল, সেটা না থাকায় শিক্ষার্থীরা রাজধানী ও অন্যান্য জেলামুখী হয়ে গেছে। আমরা যদি শিক্ষার উন্নয়নের জন্য ভালো মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়তে পারি, তাহলে বাগেরহাটে শিক্ষার মান ও হার বাড়বে। আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি শিক্ষার মান বৃদ্ধির জন্য প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও যে প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেগুলোতে শিক্ষার মান বৃদ্ধি করে এই সমস্যা দূর করবো।
পাশাপাশি চিকিৎসা খাতের বেহাল দশা। বিশেষ করে উপজেলা কেন্দ্রিক যে হাসপাতাল রয়েছে সেগুলোর অবস্থা খুবই খারাপ। ডাক্তারের স্বল্পতা, অবকাঠামোগত সমস্যা, যন্ত্রপাতির অভাব, ওষুধের অপ্রতুলতা সব মিলিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো খুবই খারাপ অবস্থায় আছে। তাছাড়া বাগেরহাট জেলা সদর হাসপাতালের অবস্থাও আশানুরূপ নয়। এখানেও ওষুধের অপ্রতুলতা, ডাক্তারের স্বল্পতা রয়েছে। এছাড়া এখানে আইসিইউ নেই। এই সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠতে এরই মধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে বাগেরহাটবাসী শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন দেখতে পাবে।
নাহিদ ফরাজী/এফএ/এমএস
What's Your Reaction?