মাদরাসায় পড়তে অনীহা, ছয়তলা ভবনের কার্নিশে পা ঝুলিয়ে বসেছিল শিশু
ফেনী শহরের পাগলা মিয়া সড়কের একটি বহুতল ভবনের ছয়তলার কার্নিশ থেকে মাদরাসার এক শিশু শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। শনিবার (৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ‘মা ভিলা’ নামের একটি ভবনে এ ঘটনা ঘটে। বাবা-মা জোর করে মাদরাসায় রেখে যাওয়ায় সে এমনটি করেছিল বলে জানিয়েছে শিশুটি। আরও পড়ুন মাদরাসা থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, শরীরে বেতের আঘাত উদ্ধার হওয়া শিশুটির নাম ইয়াসমিন আক্তার (১০)। সে ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। ইসামমিন ওই ভবনের চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ তলা পর্যন্ত পরিচালিত ‘দারুন নাজাত মহিলা মাদরাসা’র চতুর্থ শ্রেণির আবাসিক শিক্ষার্থী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে শিশুটি ভবনের বাইরের অংশে জানালার কার্নিশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসে ছিল। তাকে এ অবস্থায় দেখে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অক্ষত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করেন। আরও পড়ুন দেশের সব মাদরাসার অ্যাডহক কমিটি বাতিল স্থানীয়দের অনেকে শিশুটির কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হওয়াকে ‘অলৌকিক’ ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন। উদ্ধারের পর প্রাথমিক জিজ
ফেনী শহরের পাগলা মিয়া সড়কের একটি বহুতল ভবনের ছয়তলার কার্নিশ থেকে মাদরাসার এক শিশু শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।
শনিবার (৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ‘মা ভিলা’ নামের একটি ভবনে এ ঘটনা ঘটে। বাবা-মা জোর করে মাদরাসায় রেখে যাওয়ায় সে এমনটি করেছিল বলে জানিয়েছে শিশুটি।
উদ্ধার হওয়া শিশুটির নাম ইয়াসমিন আক্তার (১০)। সে ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
ইসামমিন ওই ভবনের চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ তলা পর্যন্ত পরিচালিত ‘দারুন নাজাত মহিলা মাদরাসা’র চতুর্থ শ্রেণির আবাসিক শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে শিশুটি ভবনের বাইরের অংশে জানালার কার্নিশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসে ছিল। তাকে এ অবস্থায় দেখে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অক্ষত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করেন।

দেশের সব মাদরাসার অ্যাডহক কমিটি বাতিল
স্থানীয়দের অনেকে শিশুটির কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হওয়াকে ‘অলৌকিক’ ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন।
উদ্ধারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিশু ইয়াসমিন জানায়, এই মাদরাসায় থেকে পড়াশোনা করতে তার ভালো লাগে না। আজ সকালেও তার বাবা-মা জোর করে তাকে রেখে যান। মাদরাসা থেকে বের হওয়ার বা বাড়িতে ফিরে যাওয়ার উপায় না পেয়ে সে এমন পথ বেছে নিয়েছিল।
ফেনী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মো. আবদুল্লাহ হারুন পাশা বলেন, সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে টিম পাঠানো হয়। শিশুটিকে কোনো ক্ষতি ছাড়াই নিরাপদে নিচে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শিশুটিকে তার পরিবারের জিম্মায় দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
আবদুল্লাহ আল-মামুন/এসআর/এএসএম
What's Your Reaction?

