মার্কিনিদের ‘অবিলম্বে’ ইরাক ছাড়ার নির্দেশ, ভ্রমণে ‘লেভেল–৪’ সতর্কতা
ইরাকে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় ‘অবিলম্বে’ দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। একই সঙ্গে ইরাকের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ‘লেভেল–৪’ ভ্রমণ সতর্কতা আবারও পুনর্ব্যক্ত করেছে। এতে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদ, অপহরণ, সশস্ত্র সংঘাত ও নাগরিক অস্থিরতার কারণে সেখানে বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে এবং মার্কিন সরকার জরুরি সহায়তা দেওয়ার সক্ষমতা সীমিত। শনিবার (১৪ মার্চ) প্রকাশিত এক নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় বাগদাদের মার্কিন দূতাবাস জানায়, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ইরাকজুড়ে মার্কিন নাগরিক ও যুক্তরাষ্ট্র-সম্পর্কিত স্থাপনাগুলোর ওপর হামলার আহ্বান জানিয়েছে এবং কিছু হামলা ইতোমধ্যে ঘটেছে। এসব হামলার মধ্যে কুর্দি নিয়ন্ত্রিত এলাকাও রয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বারবার বাগদাদের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল জোন লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। বর্তমানে অঞ্চলটির সীমিত কিছু অংশ ছাড়া বন্ধ রয়েছে। দূতাবাস আরও জানায়, ইরবিল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও এর আশপাশে এবং ইউএস কনসুলেট জেনারেল ইবরিল-এর কাছাকাছি এলাকায়ও বারবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ কারণে মার্কিন নাগরিকদের বাগদাদের দূতাব
ইরাকে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় ‘অবিলম্বে’ দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। একই সঙ্গে ইরাকের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ‘লেভেল–৪’ ভ্রমণ সতর্কতা আবারও পুনর্ব্যক্ত করেছে।
এতে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদ, অপহরণ, সশস্ত্র সংঘাত ও নাগরিক অস্থিরতার কারণে সেখানে বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে এবং মার্কিন সরকার জরুরি সহায়তা দেওয়ার সক্ষমতা সীমিত।
শনিবার (১৪ মার্চ) প্রকাশিত এক নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় বাগদাদের মার্কিন দূতাবাস জানায়, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ইরাকজুড়ে মার্কিন নাগরিক ও যুক্তরাষ্ট্র-সম্পর্কিত স্থাপনাগুলোর ওপর হামলার আহ্বান জানিয়েছে এবং কিছু হামলা ইতোমধ্যে ঘটেছে। এসব হামলার মধ্যে কুর্দি নিয়ন্ত্রিত এলাকাও রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বারবার বাগদাদের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল জোন লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। বর্তমানে অঞ্চলটির সীমিত কিছু অংশ ছাড়া বন্ধ রয়েছে।
দূতাবাস আরও জানায়, ইরবিল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও এর আশপাশে এবং ইউএস কনসুলেট জেনারেল ইবরিল-এর কাছাকাছি এলাকায়ও বারবার হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এ কারণে মার্কিন নাগরিকদের বাগদাদের দূতাবাস বা এরবিলের কনসুলেটে যাওয়ার চেষ্টা না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, কারণ ইরাকের আকাশসীমায় রকেট, ড্রোন ও অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্রের ঝুঁকি অব্যাহত রয়েছে।
বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়, কোনো কারণেই ইরাকে ভ্রমণ করবেন না। যদি সেখানে থাকেন, এখনই দেশ ছাড়ুন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল-মার্কিন বাহিনী ইরানে যৌথ হামলা চালায়। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র হয়েছে।এই যৌথ হামলায় এক হাজারের ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিও রয়েছেন।
এর জবাবে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল, জর্দান,ইরাক এবং উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে বিশেষ করে যে-সব দেশে মার্কিন সামরিক স্থাপনা রয়েছে।
কেএম
What's Your Reaction?