মালিতে ভয়াবহ হামলায় নিহত অন্তত ৭০

মালির মধ্যাঞ্চলে ভয়াবহ জিহাদি হামলায় অন্তত ৭০ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। গত শুক্রবার চালানো হামলার দায় স্বীকার করেছে আল-কায়েদাঘনিষ্ঠ জঙ্গিগোষ্ঠী ‘জেএনআইএম’ (গ্রুপ ফর দ্য সাপোর্ট অব ইসলাম অ্যান্ড মুসলিমস)। এর আগে বুধবারও বিভিন্ন গ্রামে হামলা চালিয়ে অন্তত ৩০ জনকে হত্যা করেছিল সংগঠনটি। স্থানীয় এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কয়েক দিনের ধারাবাহিক হামলায় নিহতের সংখ্যা ৭০ ছাড়িয়ে গেছে। আরেক কর্মকর্তার দাবি, মৃতের সংখ্যা প্রায় ৮০ জন হতে পারে। হামলার পর ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় এক যুবনেতা বলেন, আজ আমাদের হৃদয় রক্তাক্ত। তিনি অভিযোগ করেন, কাছেই সেনাবাহিনীর ইউনিট থাকা সত্ত্বেও বারবার সহায়তা চাইলেও কোনো সেনা সহায়তা পাওয়া যায়নি। নিরাপত্তা সূত্রগুলো বলছে, যেসব গ্রাম স্থানীয় পর্যায়ের সমঝোতা চুক্তিতে সই করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, জেএনআইএম মূলত সেসব এলাকাকেই লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। গত মাসে মালির জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে জেএনআইএম ও তুয়ারেগ বিদ্রোহীগোষ্ঠী ‘আজাওয়াদ লিবারেশন ফ্রন্ট’ যৌথভাবে বড় ধরনের হামলা চালানোর পর থেকেই দেশটির নি

মালিতে ভয়াবহ হামলায় নিহত অন্তত ৭০

মালির মধ্যাঞ্চলে ভয়াবহ জিহাদি হামলায় অন্তত ৭০ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।

গত শুক্রবার চালানো হামলার দায় স্বীকার করেছে আল-কায়েদাঘনিষ্ঠ জঙ্গিগোষ্ঠী ‘জেএনআইএম’ (গ্রুপ ফর দ্য সাপোর্ট অব ইসলাম অ্যান্ড মুসলিমস)। এর আগে বুধবারও বিভিন্ন গ্রামে হামলা চালিয়ে অন্তত ৩০ জনকে হত্যা করেছিল সংগঠনটি।

স্থানীয় এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কয়েক দিনের ধারাবাহিক হামলায় নিহতের সংখ্যা ৭০ ছাড়িয়ে গেছে। আরেক কর্মকর্তার দাবি, মৃতের সংখ্যা প্রায় ৮০ জন হতে পারে।

হামলার পর ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় এক যুবনেতা বলেন, আজ আমাদের হৃদয় রক্তাক্ত। তিনি অভিযোগ করেন, কাছেই সেনাবাহিনীর ইউনিট থাকা সত্ত্বেও বারবার সহায়তা চাইলেও কোনো সেনা সহায়তা পাওয়া যায়নি।

নিরাপত্তা সূত্রগুলো বলছে, যেসব গ্রাম স্থানীয় পর্যায়ের সমঝোতা চুক্তিতে সই করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, জেএনআইএম মূলত সেসব এলাকাকেই লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।

গত মাসে মালির জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে জেএনআইএম ও তুয়ারেগ বিদ্রোহীগোষ্ঠী ‘আজাওয়াদ লিবারেশন ফ্রন্ট’ যৌথভাবে বড় ধরনের হামলা চালানোর পর থেকেই দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটছে। বর্তমানে উত্তর মালির বিস্তীর্ণ এলাকা বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow