মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বদনামি করা বড় পাপ: মির্জা আব্বাস

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, বড়রা সবসময় শেখান—মিথ্যা বলা মহাপাপ। তাই কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনাম করা আরও বড় অন্যায়। তিনি সবাইকে এ ধরনের পাপ থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুল মাঠে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রমনা থানা বিএনপি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বীর সমালোচনা করে মির্জা আব্বাস বলেন, তার এলাকায় ভোট কারচুপি না হলে প্রতিপক্ষ এত ভোট পেতে পারত না। তিনি দাবি করেন, ঢাকা-৮ আসনের একটি ওয়ার্ডেও এমন কোনো আত্মীয় নেই, যিনি প্রতিপক্ষকে ভোট দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, চাইলে তিনি নাম ধরে বলতে পারবেন কারা তাকে ভোট দিয়েছেন। নির্বাচনের রাতে কয়েকটি স্কুলে স্থাপিত ভোটকেন্দ্র পাহারা দিয়ে তারা ভোট রক্ষা করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি। তার অভিযোগ, না হলে সব কেন্দ্রেই সিল মেরে নেওয়া হতো এবং অদ্ভুত কৌশলে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে সেই দায় বিএনপির ওপর চাপিয়ে দেওয়

মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বদনামি করা বড় পাপ: মির্জা আব্বাস

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, বড়রা সবসময় শেখান—মিথ্যা বলা মহাপাপ। তাই কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনাম করা আরও বড় অন্যায়। তিনি সবাইকে এ ধরনের পাপ থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান।

শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুল মাঠে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রমনা থানা বিএনপি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বীর সমালোচনা করে মির্জা আব্বাস বলেন, তার এলাকায় ভোট কারচুপি না হলে প্রতিপক্ষ এত ভোট পেতে পারত না। তিনি দাবি করেন, ঢাকা-৮ আসনের একটি ওয়ার্ডেও এমন কোনো আত্মীয় নেই, যিনি প্রতিপক্ষকে ভোট দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, চাইলে তিনি নাম ধরে বলতে পারবেন কারা তাকে ভোট দিয়েছেন। নির্বাচনের রাতে কয়েকটি স্কুলে স্থাপিত ভোটকেন্দ্র পাহারা দিয়ে তারা ভোট রক্ষা করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি। তার অভিযোগ, না হলে সব কেন্দ্রেই সিল মেরে নেওয়া হতো এবং অদ্ভুত কৌশলে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে সেই দায় বিএনপির ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমার এলাকায় হারার ইতিহাস নেই। আওয়ামী লীগের আমলে নির্বাচন হয়নি, সেটি সবাই জানে। আমি কোন জায়গায় কত ভোট পেলাম, সেটি আপনাদের দেখার বিষয় নয়। এ এলাকায় আমার বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন আছে। সুতরাং আমার ভোটের অভাব নেই।

আমার কথা হলো ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং না করে আপনারা এত ভোট কিভাবে পেলেন? সেটি আজ জাতির সামনে আমার প্রশ্ন। আমি প্রমাণ করতে পারব, আপনারা কারচুপি করেছেন।

রমনা থানা বিএনপির আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মোহাম্মদ শামীম হোসেনের পরিচালনায় ইফতার মাহফিলে ঢাকা মহানগর ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow