মৃত্যুসনদ নেওয়ার পর জানা গেল ছেলে ইসরায়েলি কারাগারে জীবিত
১৮ মাস ধরে পরিবারটির বিশ্বাস ছিল, তাঁদের বড় ছেলে আর বেঁচে নেই। গাজার হাসপাতাল, মর্গ থেকে শুরু করে ধ্বংসস্তূপের নিচেও খোঁজ চালিয়েও তাঁর কোনো সন্ধান মেলেনি। এমনকি মৃত্যুসনদও সংগ্রহ করা হয়েছিল। বাড়ির সামনে টানানো হয়েছিল শোকের তাঁবু। সোমবার (৪ মে) হঠাৎ এক ফোনকল বদলে দেয় পুরো পরিস্থিতি। এক আইনজীবীর মাধ্যমে পরিবার জানতে পারে, ২৫ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি তরুণ ঈদ নায়েল আবু শার জীবিত আছেন এবং বর্তমানে... বিস্তারিত
১৮ মাস ধরে পরিবারটির বিশ্বাস ছিল, তাঁদের বড় ছেলে আর বেঁচে নেই। গাজার হাসপাতাল, মর্গ থেকে শুরু করে ধ্বংসস্তূপের নিচেও খোঁজ চালিয়েও তাঁর কোনো সন্ধান মেলেনি। এমনকি মৃত্যুসনদও সংগ্রহ করা হয়েছিল। বাড়ির সামনে টানানো হয়েছিল শোকের তাঁবু।
সোমবার (৪ মে) হঠাৎ এক ফোনকল বদলে দেয় পুরো পরিস্থিতি। এক আইনজীবীর মাধ্যমে পরিবার জানতে পারে, ২৫ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি তরুণ ঈদ নায়েল আবু শার জীবিত আছেন এবং বর্তমানে... বিস্তারিত
What's Your Reaction?