মেধাবৃত্তিতে সেরা ফারহান, সেনা কর্মকর্তা হয়ে দেশসেবার স্বপ্ন দুচোখে
মেধা, পরিশ্রম আর মা-বাবার অনুপ্রেরণায় জাতীয় পর্যায়ের মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করেছে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. ফারহান ইশরাক। সেরা ১৫০ শিক্ষার্থীর মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে সে। ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন করে পেয়েছে এমএফএইচ সাযেন্স ক্লাবের ন্যাশনাল মেরিট স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ডও। এখন ভবিষ্যতের স্বপ্ন বুনছে দুই চোখজুড়ে। হতে চায় সেনা কর্মকর্তা, করতে চায় দেশসেবা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর নিউ বেইলি রোডের বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনে এমএফএইচ সায়েন্স ক্লাব আয়োজিত ‘ন্যাশনাল মেরিট স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ড ও বেস্ট মাদার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও তাদের মায়েদের হাতে অ্যাওয়ার্ড ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। সেখানেই এমন ভবিষ্যৎ ইচ্ছার কথা জাগো নিউজের কাছে তুলে ধরে ফারহান। রাজধানীর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণি থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জনকারী ফারহান ইশরাক জাগো নিউজকে বলে, ‘আমি এই অ্যাওয়ার্ড পেয়ে অনেক খুশি। আমার আজ এতদূর আসার পেছনে পুরো ভূমিকা মা-বাবার। তারা সবসময় আমার পড়াশোনার জন্য যা করার প্রয়োজন তাই করেছেন। আমি বড় হয়ে একজন আর্মির (সেনাবাহিনী) অফিসার হত
মেধা, পরিশ্রম আর মা-বাবার অনুপ্রেরণায় জাতীয় পর্যায়ের মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করেছে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. ফারহান ইশরাক। সেরা ১৫০ শিক্ষার্থীর মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে সে। ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন করে পেয়েছে এমএফএইচ সাযেন্স ক্লাবের ন্যাশনাল মেরিট স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ডও। এখন ভবিষ্যতের স্বপ্ন বুনছে দুই চোখজুড়ে। হতে চায় সেনা কর্মকর্তা, করতে চায় দেশসেবা।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর নিউ বেইলি রোডের বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনে এমএফএইচ সায়েন্স ক্লাব আয়োজিত ‘ন্যাশনাল মেরিট স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ড ও বেস্ট মাদার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও তাদের মায়েদের হাতে অ্যাওয়ার্ড ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। সেখানেই এমন ভবিষ্যৎ ইচ্ছার কথা জাগো নিউজের কাছে তুলে ধরে ফারহান।
রাজধানীর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণি থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জনকারী ফারহান ইশরাক জাগো নিউজকে বলে, ‘আমি এই অ্যাওয়ার্ড পেয়ে অনেক খুশি। আমার আজ এতদূর আসার পেছনে পুরো ভূমিকা মা-বাবার। তারা সবসময় আমার পড়াশোনার জন্য যা করার প্রয়োজন তাই করেছেন। আমি বড় হয়ে একজন আর্মির (সেনাবাহিনী) অফিসার হতে চাই, দেশসেবা করতে চাই।’
এদিন মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ১৫০ শিক্ষার্থীকে ন্যাশনাল মেরিট স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ড দেয় এমএফএইচ সায়েন্স ক্লাব। একই সঙ্গে মেধাবৃত্তিতে সেরা ৭০ শিক্ষার্থীর সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা তাদের মায়েদের দেওয়া হয় বেস্ট মাদার অ্যাওয়ার্ড।
এমএফএইচ সায়েন্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মো. ফারুক হোসাইন বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা এবং তাদের সাফল্যের নেপথ্যের মানুষদের সম্মান জানানোই আমাদের এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। আমরা বিশ্বাস করি, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা দেবে এবং সমাজে শিক্ষা ও অভিভাবকদের অবদানের গুরুত্ব আরও তুলে ধরবে।
এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মোট ৭০ জন মাকে অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রথম শ্রেণি থেকে একাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১৫০ শিক্ষার্থীকে অ্যাওয়ার্ড ও ন্যাশনাল স্কলারশিপ দেওয়া হয় বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক, সনদ ও মেডেল পরিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি সম্মানিত মায়েদেরও ক্রেস্ট ও সনদ দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্য প্যারালাইজড-এর (সিআরপি) প্রতিষ্ঠাতা ড. ভ্যালেরি অ্যান টেইলর।
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- টিইএসও বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ ইয়াসির, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) অধ্যাপক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. কামরুজ্জামান, এনসিটিবির সম্পাদক মো. মিয়ামিনুল ইসলাম, বিডি চাইল্ড ট্যালেন্ট উপদেষ্টা অধ্যাপক রোকেয়া বেগমসহ আরও অনেকে।
কেআর/বিএ
What's Your Reaction?
