মোসাদের ২ গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল ইরান

ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত দুই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। সোমবার ভোরে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত (সুপ্রিম কোর্ট) তাদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার পর এ রায় কার্যকর করা হয়। ইরানের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই ব্যক্তি হলেন ওমিদ বেহজাদ এবং পৌরিয়া সাফভাত। তাদের বিরুদ্ধে মোসাদের সঙ্গে গোয়েন্দা সহযোগিতা এবং ইরানের সামরিক ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত গোপন তথ্য সরবরাহের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। বিচার বিভাগের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার সময় মোসাদ ইরানের অভ্যন্তরে সরাসরি ও পরোক্ষ যোগাযোগের একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এজেন্ট নিয়োগের চেষ্টা চালায়। ওই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বেহজাদ ও সাফভাত। তদন্তে জানা যায়, ওমিদ বেহজাদ ৪০ দিনের সংঘাত চলাকালে ম্যাপিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে ইরানের সামরিক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নিরাপত্তা স্থাপনাগুলোর অবস্থান ও ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক (কো-অর্ডিনেট) মোসাদ-সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্কে বারবার পাঠিয়েছিলেন। মামলার নথি অনুযায়ী, ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলের প্রশাসক তাকে জানিয়েছি

মোসাদের ২ গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল ইরান

ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত দুই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। সোমবার ভোরে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত (সুপ্রিম কোর্ট) তাদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার পর এ রায় কার্যকর করা হয়।

ইরানের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই ব্যক্তি হলেন ওমিদ বেহজাদ এবং পৌরিয়া সাফভাত। তাদের বিরুদ্ধে মোসাদের সঙ্গে গোয়েন্দা সহযোগিতা এবং ইরানের সামরিক ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত গোপন তথ্য সরবরাহের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

বিচার বিভাগের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার সময় মোসাদ ইরানের অভ্যন্তরে সরাসরি ও পরোক্ষ যোগাযোগের একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এজেন্ট নিয়োগের চেষ্টা চালায়। ওই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বেহজাদ ও সাফভাত।

তদন্তে জানা যায়, ওমিদ বেহজাদ ৪০ দিনের সংঘাত চলাকালে ম্যাপিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে ইরানের সামরিক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নিরাপত্তা স্থাপনাগুলোর অবস্থান ও ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক (কো-অর্ডিনেট) মোসাদ-সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্কে বারবার পাঠিয়েছিলেন। মামলার নথি অনুযায়ী, ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলের প্রশাসক তাকে জানিয়েছিলেন, তথ্য যাচাই শেষে এসব স্থানাঙ্ক ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় যুক্ত করা হবে এবং নিরাপদ মাধ্যমে মোসাদের কাছে পাঠানো হবে।

অন্যদিকে পৌরিয়া সাফভাত ইরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ছবি ও তথ্য ইরান ইন্টারন্যাশনাল টেলিভিশন নেটওয়ার্কে পাঠিয়েছিলেন, যাকে ইরানের কর্তৃপক্ষ মোসাদ-সংশ্লিষ্ট যোগাযোগ কাঠামোর অংশ বলে দাবি করেছে। বিচার বিভাগের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি যে কয়েকটি স্থানের তথ্য সরবরাহ করেছিলেন, সেগুলো পরবর্তীতে হামলার শিকার হয়। এছাড়া ১২ দিনের যুদ্ধ চলাকালে তিনি উঁচু ভবনের ছাদ থেকে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভিডিও ধারণ করে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) গোয়েন্দা শাখা তাদের গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে গুপ্তচরবৃত্তি এবং ইসরায়েলি সরকারের সঙ্গে গোয়েন্দা সহযোগিতার অভিযোগে তাদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়। সুপ্রিম কোর্ট রায় বহাল রাখার পর সোমবার তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

সূত্র: মেহর নিউজ এজেন্সি (MNA)।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow